স্থানীয় নির্বাচনে চাঁদাবাজদের বর্জনের আহ্বান চরমোনাই পীরের

০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৮ PM
বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম

বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম © সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ধোঁকাবাজ, চাঁদাবাজ ও নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের বর্জন করে শরিয়াহর পক্ষের শক্তিকে নির্বাচিত করার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। আজ শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল ’২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

মুফতি রেজাউল করীম বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও কোনো সরকার এসব লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে পারেনি। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও মুক্তি নিশ্চিত করতে ইসলামী শ্রমব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের দায়িত্বশীলদের প্রার্থী হওয়ার পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে ভূমিকা রাখতে হবে। শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তাদের ওপর জুলুম-নির্যাতন না করে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনার মাধ্যমে সুশৃঙ্খলভাবে যানবাহন চালানোর সুযোগ দিতে হবে। শ্রমজীবী মানুষের জীবন-জীবিকা ও অধিকার রক্ষা করে সুশৃঙ্খল পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, শ্রমিকদের আদর্শিকভাবে গড়ে তোলা ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন কাজ করছে। দেশে চাঁদাবাজি বন্ধ করে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী বলেন, দেশব্যাপী চাঁদাবাজির কারণে সরকারের প্রতি মানুষের তিক্ততা তৈরি হয়েছে। জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে এসব সমস্যার সমাধান ও দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ অতীতে ৮২টি শ্রমিক শ্রেণির মধ্যে কাজ করেছে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্প্রসারণে এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।

কাউন্সিলে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা, নিরাপত্তা ও পাওনা নিশ্চিত করতে সংগঠনের দায়িত্বশীলদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

এদিকে কাউন্সিল থেকে ২০২৭-২৮ সেশনের জন্য ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশের নতুন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ঘোষণা করা হয়েছে। এতে মুহাম্মাদ খলিলুর রহমানকে সভাপতি, কে এম বিল্লাল হোসাইনকে সহসভাপতি এবং এইচ এম রফিকুল ইসলামকে সেক্রেটারি জেনারেল মনোনীত করা হয়।

‘ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ফেসবুক পোস্ট’ দিয়ে ছাত্রত্ব হারাচ্ছেন র…
  • ০৯ অক্টোবর ২০২৬
ফিলিস্তিন-মিয়ানমারের গণহত্যা নিয়েও কাজ করেছেন পিল্লাই, কে এ…
  • ০৯ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানীতে ভবন থেকে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু
  • ০৯ অক্টোবর ২০২৬
সন্দেহের বশে কাউকে ‘বাংলাদেশি’ বলে ফেরত পাঠানো যাবে না: কলক…
  • ০৯ অক্টোবর ২০২৬
নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতলেন নাভিনেথেম ‘নাভি’ পিল্লাই
  • ০৯ অক্টোবর ২০২৬
স্থানীয় নির্বাচনে চাঁদাবাজদের বর্জনের আহ্বান চরমোনাই পীরের
  • ০৯ অক্টোবর ২০২৬