শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি এক ধরনের কোটা পদ্ধতি: ড. আব্দুল মান্নান

১২ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ PM
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য ও ঢাকা-৬ আসনের সাবেক এমপিপ্রার্থী ড. আব্দুল মান্নান।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য ও ঢাকা-৬ আসনের সাবেক এমপিপ্রার্থী ড. আব্দুল মান্নান। © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটিতে দলীয়করণের মাধ্যমে যোগ্যতার পরিবর্তে এক ধরনের ‘কোটা পদ্ধতি’ চালু করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য ও ঢাকা-৬ আসনের সাবেক এমপিপ্রার্থী ড. আব্দুল মান্নান।

গতকাল (১১ আগস্ট) একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. আব্দুল মান্নান বলেন, ‘এক ধরনের কোটা পদ্ধতি চালু হতে যাচ্ছে। সেখানে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি-সেক্রেটারি হবে কারা—এটা বিএনপির লোকেরাই হবে, বিএনপির মনোভাবাপন্ন লোকেরাই হবে। এর মাধ্যমে আবার সেখানে যোগ্যতাকেও কমিয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমার পরিবারে আমরা ৫ ভাই, পাঁচজনই শিক্ষক। আমার বাবা শিক্ষক ছিলেন। আমি শিক্ষক পরিবার থেকে উঠে আসা একজন মানুষ। ব্যক্তিগত জীবনে অনেক জায়গায় দেখেছি, ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে ভালো শিক্ষক নিয়োগ হয় না। সেটার পরিমাণ ১ শতাংশ। ৯৯ শতাংশই সেখানে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি হয়। যারা যোগ্য, তাদের আশ্রয় দেওয়া হয় না। এখানে বড় ধরনের বাণিজ্যের সুযোগ আছে।’

এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘এই জায়গাটা যখন রিথিং করা হলো, তখনই এনটিআরসিএর উদ্ভাবন হলো। এর মাধ্যমে আমরা বলব না যে খুব হাইলি কোয়ালিটি দিয়ে তারা নিতে পারছে। কিন্তু আমাদের যা আছে, তার মধ্যে অন্তত এখানে দুর্নীতি হয় না, ঘুষ হয় না, চাঁদাবাজি হয় না, স্বজনপ্রীতি হয় না। মেধার ভিত্তিতে মানুষের নিয়োগ পাওয়ার একটা সুযোগ তৈরি হয়েছে।’

ম্যানেজিং কমিটির নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ম্যানেজিং কমিটি কাকে নেবে—এই পছন্দ-অপছন্দের কোনো বিষয় নেই। যেখানে পোস্ট খালি আছে, সেখানে তাকে দেওয়া হচ্ছে। তাকে বাধ্যতামূলক নিতে হচ্ছে। এখানে কমিটির সঙ্গে নিয়োগের কোনো ধরনের বাণিজ্য বা অনুদানের নামে ঘুষ দেওয়ার সুযোগ নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা—সব ক্ষেত্রেই আমরা দেখেছি, কমিটিকে ম্যানেজ করার জন্য অনুদানের নামে অনেক সময় ঘুষ চলে যায়। বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের দল পরিচালনা ও অন্যান্য কার্যক্রম ঠিক রাখার জন্য খুশি করার যে জায়গাগুলো রয়েছে, সেগুলো দেওয়া হচ্ছে।’

প্রশাসনে নিয়োগের প্রসঙ্গ তুলে ড. আব্দুল মান্নান বলেন, ‘সারা বাংলাদেশে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় (নির্বাচনে) এমপিতে ফেল করেছে, এখন তাকেই আবার ওই জায়গার প্রশাসক নিয়োগ করে দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করার যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে, সেটা একেবারে টপ টু বটমে চলে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘এখন বটমে যাওয়ার কারণে জনগণ এবং এ দেশের মেধাবীরা যে কারণে জুলাই আন্দোলন করেছিল—যে কোটা না মেধা—সেই কোটা পদ্ধতিতেই চলে যাচ্ছে। সেখানে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি-সেক্রেটারি হবে কারা? এটা বিএনপির লোকেরাই হবে, বিএনপির মনোভাবাপন্ন লোকেরাই হবে।’

দেশের একাধিক জেলায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
পে-স্কেল ও জাতীয়করণসহ ১০ দাবিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কর্মসূ…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
নিজ বাড়িতে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের গলা কাটা লাশ, সবশেষ যা জা…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
বরিশাল আদালত চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
জবির বাসে হামলার ঘটনায় ছাত্রদলের নিন্দা
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
দেড় বছরেও মেরামত হয়নি কবি নজরুল কলেজের জানালার ভাঙা কাচ
  • ১২ আগস্ট ২০২৬