দুই-তৃতীয়াংশ আসন কীভাবে পেয়েছেন, রাষ্ট্রীয় সাক্ষী পাওয়া গেছে: জামায়াত আমির

২৩ জুন ২০২৬, ০৮:৩৬ PM , আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৮:৫৬ PM
ডা. শফিকুর রহমান

ডা. শফিকুর রহমান © সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধ দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দুই তৃতীয়াংশ কীভাবে পেয়েছেন, আপনারাই ভালো জানেন। দেশের জনগণও জানে। এই ব্যাপারে কিছু রাষ্ট্রীয় সাক্ষীও ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে। আপনাদের দলের ভেতর থেকেই পাওয়া গেছে, বিগত সরকারের মধ্য থেকেও পাওয়া গেছে।

আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর বিজয়নগরে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন,  নির্বাচনের সময় তারা বলেছিল, তারা নির্বাচিত হলে যতগুলো খুন হয়েছে, যত নির্যাতন হয়েছে—সবগুলোর বিচার করবে। ক্ষমতায় বসার পর এখন তাদের সুর পাল্টে গেছে। বিচার তো তারা করছেই না। বরং আপনারা শুনেছেন, চার মাসে ৬০০ জনেরও বেশি মানুষ নির্মমভাবে বাংলার মাটিতে খুন হয়েছে। দুঃখজনক বিষয় হলো, এই দলটি নিজেদের কর্মীদেরকেই খুন করেছে। যাদের নিজেদের কর্মীদের প্রতি নিজেদেরই কোনো দায় ও দরদ নেই, তাদের ২০ কোটি মানুষের প্রতি কী দায় ও দরদ থাকবে? আমরা কোনো লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি না।

তিনি আরও বলেন, লজ্জার বিষয় হলো, ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত হওয়ার কথা বলে তারা এখন রাজপথে একক আধিপত্য কায়েমের চেষ্টা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিভিন্ন ব্যাংক, বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ—সব জায়গায় দলীয় অনুগত লোকদের বসানো হয়েছে। জেলায় জেলায় প্রশাসক বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি খেলার মাঠও দলমুক্ত রাখতে পারেনি। এইভাবে তারা কার্যত একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ কিন্তু বারবার বিপ্লবের সাক্ষী উল্লেখ করে হুশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি—হয় আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।

এসময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মানুষের জীবন, ইজ্জত, সম্পদ ও দেশের সীমানার জন্য আরেকবার জীবন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এই বয়সে আমরা পিছিয়ে থাকবো না। আমরা সম্মুখ সারিতে থাকবো, আড়ালে নয়। তবুও বাংলাদেশের দিকে কাউকে লাল চোখ দিয়ে তাকাতে হবে না। কোনো কালো হাত বাড়ালে সেই হাত ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত এই দেশকে পাহারা দেবে, ইনশাআল্লাহ। কারো বাবার সাধ্য নেই এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে টানাটানি করে।

জামায়াত আমির বলেন, সংসদে যতদিন পর্যন্ত কথা বলার পরিবেশ থাকবে, জাতির স্বার্থে যতদিন থাকার দরকার হবে, তার বাইরে আমরা এক সেকেন্ডও থাকবো না। যেদিন সংসদের প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে, যেদিন মনে হবে এই সংসদে আর কথা বলে লাভ নেই—সেদিন সেই সংসদকে আমরা বর্জন করে বেরিয়ে আসবো। প্রস্তুত থাকুন সেই বিপ্লবের জন্য, অন্যায়ের সাথে কোনো আপস নয়। নতুন-পুরাতন কোনো ফ্যাসিবাদ মানি না। পুরাতনও পরিত্যাজ্য, নতুনও গৃহীত নয়। কোনো ফ্যাসিবাদ মানবো না।

রাতেই তীব্র বজ্রপাত বলয় ‘মিশা সওদাগর’ আসিতেছে
  • ২৩ জুন ২০২৬
ফেসবুকে উত্ত্যক্ত, তরুণীর আত্মহত্যা, অভিযোগ ফুফাতো ভাইয়ের ব…
  • ২৩ জুন ২০২৬
প্রেমের সম্পর্ক ফাঁস করায় ১১ বছরের আদিবকে খুন করে ১৪ বছরের …
  • ২৩ জুন ২০২৬
হাদি হত্যার বিচার ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে: জামায়াত আমির
  • ২৩ জুন ২০২৬
বাংলাদেশিদের জন্য খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার 
  • ২৩ জুন ২০২৬
মার্কেট নির্মাণ করছে, তাই চাঁদা দিতে হবে—ব্যবসায়ীকে তুলে নি…
  • ২৩ জুন ২০২৬