সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ © সংগৃহীত
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পরিকল্পিতভাবে জামায়াতে ইসলামী ও দলের নেতাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে সব ধরনের চক্রান্ত ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলব। কোনো অবস্থাতেই মাঠ ছাড়বো না, ইনশাআল্লাহ।
আজ বুধবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ঘটনা প্রসঙ্গে জুবায়ের বলেন, দলের জেলা পর্যায়ের এক দায়িত্বশীল নেতা ঢাকা থেকে সৈয়দপুর যাওয়ার পর বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে তাকে ঘিরে ‘নাটকীয় পরিস্থিতি’ তৈরি করা হয়। তার সঙ্গে থাকা ব্যাগে টাকা ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যাংক বন্ধ থাকায় ব্যবসায়িক প্রয়োজনে নগদ অর্থ বহন করা অপরাধ নয়।
পুলিশ কিছু চিহ্নিত সাংবাদিককে নিয়ে ঘটনাটি প্রচার করে এবং ওই নেতাকে হেনস্তা করা হয় বলেও দাবি জুবায়েরের। তিনি (জেলা আমির) বর্তমানে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
হুমকি ও সহিংসতার অভিযোগ নিয়ে কুমিল্লা-৪ আসনে এক রাজনৈতিক নেতার বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে জুবায়ের বলেন, ভোট না দিলে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে, যা স্পষ্টতই ফৌজদারি অপরাধ। এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণে বিভিন্ন স্থানে হামলা, গাড়ি ভাঙচুর এবং নারী কর্মীদের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিভিন্ন আসনে বডি ক্যামেরা বণ্টনে অসামঞ্জস্য রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন জুবায়ের। তার দাবি, কিছু আসনে অস্বাভাবিকভাবে বেশি এবং কিছু আসনে কম বডি ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, যেখানে আমাদের সম্ভাবনা বেশি, সেখানে ক্যামেরার সংখ্যা বেশি—এমনটি দেখা যাচ্ছে। এটি কাকতালীয় নাকি অন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তা পরিষ্কার হওয়া উচিত।