ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে ছাত্রশিবিরের উদ্বেগ

০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:০৯ PM
নির্বাচন ভবন ও শিবিরের লোগো

নির্বাচন ভবন ও শিবিরের লোগো © টিডিসি ফটো

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যখন স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি, তখন ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত জনমনে গভীর সংশয় ও আস্থার সংকট তৈরি করেছে। নির্বাচনের পরিবেশকে বিতর্কমুক্ত রাখার পরিবর্তে কেন এমন রহস্যজনক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো—তা আজ দেশবাসীর কাছে বড় প্রশ্ন। বিশেষ করে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের আবেদনের প্রেক্ষিতে ভোটকেন্দ্র থেকে বিএনসিসির মতো নিরপেক্ষ সংস্থাকে সরিয়ে দেওয়া এবং এখন সাধারণ ভোটারদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা কোনো সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ কি না—সেই প্রশ্ন তোলা এখন সময়ের দাবি।

নেতৃবৃন্দ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আধুনিক যুগে মোবাইল ফোন কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়; বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের তাৎক্ষণিক প্রতিবাদের হাতিয়ার। এই সুযোগ কেড়ে নেওয়ার অর্থ হলো কোনো বিশেষ মহলের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা ভোট জালিয়াতির পথকে সুগম করা।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ১৭ বছর এ দেশের মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। চব্বিশের জুলাইয়ে এক রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নির্বাচনী ব্যবস্থার মাধ্যমে জনগণের মৌলিক ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা। অথচ জনগণের সেই আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করে একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। জুলাইয়ে সাধারণ মানুষের হাতের এই মোবাইল ফোনই তখন ফ্যাসিবাদের সকল অন্যায়ের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে কাজ করেছিল। এখন সেই ফোনকে ভয় পাওয়ার অর্থ হলো জনমতের প্রকৃত প্রতিফলনকে বাধাগ্রস্ত করা, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ৪০০ গজের এই অদ্ভুত বিধিনিষেধের ফলে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় সাধারণ ভোটারদের যাতায়াত ও নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে; ফলে নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতিতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। দেশ ও জাতির স্বার্থে এবং নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা রক্ষায় অবিলম্বে এই হঠকারী ও অগণতান্ত্রিক নির্দেশনা প্রত্যাহার করার জোর দাবি জানাচ্ছি। সেইসাথে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় এই অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে সুস্পষ্ট অবস্থান গ্রহণ করার জন্য আমরা সকল রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও নাগরিক সংগঠনসহ গণতান্ত্রিক শক্তির প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেবে জাতীয় পার্টি 
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
কাস্টমার সার্ভিস অফিসার নেবে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, আবেদ…
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
হামের লক্ষণ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আরও ২৭ শিশু ভর্তি
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
এসএসসি পরীক্ষায় লোডশেডিং রোধে বিদ্যুৎ বিভাগকে বিশেষ চিঠি দে…
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
সরকার ও ঢাবির কাছে ৪ দাবি ইন্টার্ন চিকিৎসকদের, ৪৮ ঘণ্টার আল…
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
ডিসির সন্তানকে পড়তে হবে নিজ জেলার স্কুলে: শিক্ষামন্ত্রী
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
close