জামায়াতের সঙ্গে কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে © সংগৃহীত
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জামায়াতের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমের নেতৃত্বে জামায়াত প্রতিনিধি দলে ছিলেন ড. যুবায়ের আহমেদ, ব্যারিস্টার সাইফ উদ্দিন খালেদ, জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি মিসেস নূরুন্নিসা সিদ্দিকা ও ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ইঞ্জিনিয়ার মারদিয়া মমতাজ।
বৈঠকের শুরুতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষ থেকে মাওলানা আবদুল হালিম কমনওয়েলথ প্রতিনিধি দলকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের জন্য ঘানার সাবেক রাষ্ট্রপতি নানা আকুফো-আদ্দোর নেতৃত্বে কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপের এ প্রতিনিধি দলটি ঢাকায় অবস্থান করছে। কমনওয়েলথের প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং অন্যান্য অংশীজনদের সাথে বৈঠক করে নির্বাচন প্রক্রিয়া, আইনের শাসন, ও নিরপেক্ষতা নিয়ে মতবিনিময় করছে। সুষ্ঠু নির্বাচন পর্যবেক্ষণ, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং একটি স্বাধীন মূল্যায়ন প্রদান করা কমনওয়েলথ টিমের লক্ষ্য।
বৈঠকে জামায়াত প্রতিনিধি দল নির্বাচন পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে সর্বতোভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি অনেক জায়গায় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীগণ প্রচারণা চালানোর সময় বড় একটি দলের বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষ করে জামায়াতের নারীকর্মীগণ নানাভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। বারবার জামায়াতের নারী ভোটকর্মীদের উপর হামলা, শারিরীক নির্যাতন, মোবাইল কেড়ে নেয়ার মত ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও অসংখ্য জায়গায় ভোটকর্মীদের ওপর হামলা নির্যাতন, ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদর্শ করা হয়েছে।
তারা আরও বলেন, নির্বাচনকালীন প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস, বাসা ও নির্বাচন কর্মীদের নিরাপত্তাঝুঁকি রয়েছে বলে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হচ্ছে। এমতাবস্থায় আমরা মনে করছি আমাদের প্রতিপক্ষ নির্বাচনকালীন আমাদের প্রতিপক্ষ দাগী সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ঘটনা ও হামলার সমূহ শঙ্কা রয়েছে। আমরা মনে করি নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ ও পেশিশক্তির ব্যবহার বন্ধ করা জরুরি।