এহসানুল হুদা © সংগৃহীত
নিজ দল বাংলাদেশ জাতীয় দল বিলুপ্ত করে সদ্য বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলি-বাজিতপুর) (সংসদীয় আসন-১৬৬) আসনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কর্মকর্তা।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) কিশোরগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাছাই-বাছাই শেষে হুদার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। একই সময় বিএনপি থেকে বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন তিনি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ইকবালের মনোনয়ন বাতিলের কারণ হিসেবে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, আমি, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১৪ এর বিধান অনুসারে ১৬৬ কিশোরগঞ্জ-৫ সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের মনোনয়নপত্রটি পরীক্ষা করিলাম। পরীক্ষান্তে মনোনয়নপত্রটি গ্রহণ/বাতিল করিলাম।
মনোনয়নপত্র গ্রহণ/বাতিলের কারণসমূহ:- আমি, অদ্য ০৩.০১.২০২৬ তারিখে প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের মনোনয়নপত্রটি প্রার্থী, প্রস্তাবক, সমর্থক, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, অন্যান্য সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং পুলিশ প্রতিনিধির উপস্থিতিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়, কিশোরগঞ্জ-এ বাছাই করিলাম।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১৪ এর বিধান অনুসারে এই মনোনয়নপত্রটি পরীক্ষান্তে দেখা যায় যে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১২ (৩খ) অনুসারে প্রার্থী কর্তৃক স্বাক্ষরিত এবং সুনির্দিষ্ট তথ্যাদি ও বিষয় সন্নিবেশিত হলফনামা সংযুক্ত করার বিধান রয়েছে। ১৬৫ কিশোরগঞ্জ-৪ নির্বাচনি এলাকার প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, পিতা. নজিবুর রহমান, মাতা. সৈয়দা হাজেরা খাতুন, ঠিকানা. রহমান ম্যানশন, ইছাগঞ্জ বাজার, তেঘরিয়া, সরারচর, বাজিতপুর, কিশোরগঞ্জের হলফনামায় মামলার তথ্য গোপন করায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর ১২(৩খ) অনুসারে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য।
এমতাবস্থায়, হলফনামায় মামলার তথ্য গোপন করায় শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের মনোনয়নপত্রটি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১২(৩খ) অনুযায়ী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য বিবেচিত হওয়ায় উক্ত আদেশের অনুচ্ছেদ ১৪ এর ক্ষমতাবলে বাতিল করিলাম।