র‍্যাবকে দলীয় স্বার্থে এক ঘণ্টার জন্যও ব্যবহার করেনি বিএনপি : বাবর

০১ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:১০ PM
সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর © সংগৃহীত

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, র‍্যাবকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছি, এটা কেউ বলতে পারবে না, প্রমাণ দেখাতে পারবে না। অন্যায় করলে বিএনপি নেতাকর্মীদেরও ছাড় দেওয়া হত না। এমন নেত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।

আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত ও দোয়া করতে সমাধিস্থলে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। 
 
লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, ‘আমি নেত্রীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আল্লাহ তালা সুযোগ দিয়েছেন। সেই সুযোগের মাধ্যমে দেখেছি উনার দেশকে স্বাধীনতার কোন আপোষ করেনি এত কাছে থেকে উনার সাথে আমি কাজ করেছি।’

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমাদের নেত্রীর মধ্যে যে গুণাবলী আমি খুঁজে পেয়েছিলাম, তা আর কারো মধ্যে পাইনি। অনেক পরে এসে তার ছেলে আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে আমি সেই গুণাবলী খুঁজে পেয়েছি। আপনারা সবাই দোয়া করবেন, যেন আগামীতে তার নেতৃত্বে একটি জনগণের রাষ্ট্র গঠন করতে পারি।

বাবর আরো বলেন, সকালে ঘুম থেকে উঠে এখানে এসেছি। রাজনৈতিক কোনো পরিকল্পনা নেই, এটা আমার ব্যক্তিগত আবেগ। আমি ব্যক্তিগতভাবে এসেছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুমতি নিয়েছি। 

এদিকে সংসদ ভবনের বিপরীতে শহীদ জিয়ার মাজারের মূল ফটকের সামনে ও ভেতরে পুলিশ, র‍্যাব, সেনাবাহিনীসহ বেশকিছু বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। দুপুর পৌনে ১২টা পর্যন্ত মাজারের ভেতরে বিএনপির সিনিয়র নেতা ছাড়া কাউকেই প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এদিন ১২টার পর সাধারণের মানুষের জন্য উম্মুক্ত করা হয়। 

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বেশ কয়েকজন হাফেজ সমাধিতে প্রবেশ করেন। তারা সেখানে পবিত্র কোরআন খতম করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। মাজারের মূল ফটক ছাড়াও পুরো এলাকায়ই কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে।

এর আগে বেলা ১১টা পর্যন্ত সমাধির সামনের সড়ক পুরোটাই বন্ধ করে বিজয় সরণি ও মীর মুগ্ধ চত্বর পর্যন্ত বেরিকেড দিয়ে রাখা হয়। পরে বেরিকেড খুলে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় নেত্রকোনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছিলেন বাবর। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলায় ২০১২ সালের ১৮ মার্চ তারেক রহমানের সঙ্গে বাবরের নামও আসামির তালিকায় যুক্ত হয়।

পরে ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট তাকে খালাস দেন। ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি সব মামলা থেকে খালাস পেয়ে তিনি কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান। 

মোটরসাইকেলে প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছিল তিন ছাত্র, পথে প্রাণ ঝরল …
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে শিক্ষকদের পেনশন দিতে হবে: আখতার হোসেন
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় চতুর্থ ফেনী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা…
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহন, ভিডিও ভাইরাল
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
দ্বিতীয়বার কন্যাসন্তানের বাবা হলেন সাইফউদ্দিন
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল এসআরবি কর্মকর্তার
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬