স্ত্রীকে জোরপূর্বক ডিভোর্স দেওয়ার অভিযোগ জাবি ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

১৪ মার্চ ২০২৫, ১০:৩০ PM , আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৫, ১২:১১ PM
আব্দুল্লাহ আল অন্তর

আব্দুল্লাহ আল অন্তর © টিডিসি সম্পাদিত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রদলের কমিটিতে পদায়নের পর পরকীয়ার অভিযোগ দিয়ে স্ত্রীকে জোরপূর্বক ডিভোর্স দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতার নাম আব্দুল্লাহ আল অন্তর। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ সেশনের (৪৬ ব্যাচ) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক শিক্ষার্থী।

গত ৮ জানুয়ারি ঘোষিত শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটিতে ২নং সদস্য হিসেবে আছেন। শাখা ছাত্রদলের পরবর্তী কমিটিতে বড় পদে আসীন হতে পরকীয়ার মিথ্যা অভিযোগ এনে জোরপূর্বক ডিভোর্স দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী নারী।

ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের জুন মাসে অন্তরের সঙ্গে আনিকার বিয়ে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষে চাকরি পেলে অন্তর আনিকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যাবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। তবে তা বাস্তবে ফলেনি। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই পরিবর্তন আসে অন্তরের আচরণে। ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর এই পরিবর্তন আরও প্রকট হয়। অন্তর যুক্ত হন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে। বনে যান সক্রিয় নেতা। ধীরে ধীরে আনিকার সাথে বাড়াতে থাকেন দূরত্ব। একপর্যায়ে অন্তর আনিকাকে ডিভোর্সের জন্য চাপ দিতে থাকেন। এই নিয়ে আনিকা অভিযোগ করবে জানালে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এসব অভিযোগ থেকে পার পেয়ে যাবেন জানিয়ে উলটো হুমকি দেন অন্তর। সর্বশেষ পরকীয়ার মিথ্যা অভিযোগ এনে গত ১১ মার্চ জোরপূর্বক ডিভোর্স দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন আনিকা।

ভুক্তভোগী নারী আনিকা বলেন, অন্তর মূলত আমাকে বিয়ে করেছিল টাকার জন্য। প্রায় দুই বছরে অনেক টাকা দিয়েছি তাকে আমি। তার ক্যারিয়ার গড়তে ঝুট ব্যবসার জন্য প্রথমে ৩০ লাখ ও পরবর্তীতে ৫০ লাখ টাকা দেওয়ার চুক্তি হয়েছিলো তার সাথে। তবুও তার আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি। অন্তরের পরিবারও আমাকে কোনো ধরনের সমর্থন দেয়নি। উলটো তারা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

তিনি আরও বলেন, আমি সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হয়েছি এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। সে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে এলাকায় ছাত্রলীগ করতো, আন্দোলনের পর এখন ছাত্রদল হয়েছে। তার পুরো পরিবারই সুবিধাবাদী। যখন যে সরকার থাকে সেই দল করে সুবিধা নেয়। আমাকে ডিভোর্স না দিলে ছাত্রদলে সুবিধা করতে পারবেনা বলে জোরপূর্বক মিথ্যা অভিযোগ এনে আমাকে ডিভোর্স দিয়েছে। 

আনিকার মা সাহিদা বেগম জানান, অন্তর গত জুলাইয়ে শেষবার আমাদের বাড়িতে এসেছিল। এরপর থেকে আর কোনো যোগাযোগ রাখেনি। ছেলেটাকে আমরা খুবই ভালোবাসতাম। কিছুদিন আগে ওকে কল দিলে আমাকে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালি দেয়। আমার কণ্ঠ এডিট করে নোংরা গালির অডিও বানায় সে। সর্বশেষ দুইদিন আগে জোরপূর্বক প্রভাব খাটিয়ে আমার মেয়েকে ডিভোর্স দিয়েছে।

ক্যাম্পাস ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল্লাহ অন্তর জোরপূর্বক ডিভোর্সের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমাদের দুই ফ্যামিলি বসেই আদালতের মাধ্যমে ডিভোর্স সম্পন্ন হয়েছে, জোরপূর্বক ডিভোর্সের মত কোন ঘটনা ঘটেনি। ডিভোর্সের পরে আমার মান সম্মান নষ্ট করার জন্যই এসব অভিযোগ করেছে। 

দেশের ফ্রিল্যান্সাররা পাচ্ছেন বিশেষ সুবিধার সরকারি ডিজিটাল …
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
জিএসটি গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হলো আরও এক বিশ্ববিদ্যালয়
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না জামায়াত প্রার্থী ফজলুল
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
শত্রু দেশের ওপর নজরদারি করতে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠাল ভারত
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থায় চাকরি, আবেদন স্নাতক পাসেই
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের আবেদনের সুযোগ
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9