প্রচারণায় ব্যস্ত শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও সমর্থকরা

২৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৫:১৬ PM
মঙ্গলবার বাইসাইকেলে যুবলীগের নেতাকর্মীরা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন। ইনসেটে প্রতিমন্ত্রী

মঙ্গলবার বাইসাইকেলে যুবলীগের নেতাকর্মীরা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন। ইনসেটে প্রতিমন্ত্রী © সংগৃহীত

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজবাড়ী-১ (গোয়ালন্দ-রাজবাড়ী সদর) আসনে শেষ মুহুর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী ও তার সমর্থকরা।

প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রতিমন্ত্রী ও তার সমর্থকরা এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করছেন। তবে বিএনপির প্রার্থী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র প্রার্থীর কিছু পোস্টার শহরের বিভিন্ন স্থানে ঝুলতে দেখা গেলেও প্রচারণার মাঠে তাদের দেখা মিলছেনা। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সাংসদ আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।

রাজবাড়ী-১ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৩শ ৭২ জন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৪ হাজার ৩৯জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৩শ ৩৩ জন।

রাজবাড়ী শহরের কাপড়বাজার এলাকায় মঙ্গলবার এক পথসভায় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী বলেন, আমরা উন্নয়নে বিশ্বাস করি। দেশের মানুষকে মিথ্যা আশ্বাস দিই না। এবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর কাজ শুরু হবে। বেকারদের কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিএনপির প্রার্থী ২০০১ সালে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল। তারা ব্যাপক উন্নয়নের আশ্বাস দিয়েছিল। কিন্তু একটি প্রতিশ্রুতিও পূরণ করেনি। এখন বিভিন্ন মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে। বিভিন্ন স্থানে নাশকতা ও জ্বালাও–পোড়াওয়ের ঘটনা ঘটাচ্ছে। তারা শান্তিতে বিশ্বাস করে না। মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে তারা কাজ করে না। তাই আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের প্রতিহত করতে হবে।

রাজবাড়ী-১ আসন থেকে চারবারের এ সংসদ সদস্য আরও বলেন, আমরা উন্নয়নে বিশ্বাস করি। আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি দিই, তা রক্ষা করি। নির্বাচনের আগে আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা রক্ষা করেছি। বর্তমানে প্রতিটি ঘরে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও অনেক বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। রাজবাড়ীতে শহরের রাস্তা চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। নদীভাঙন থেকে পদ্মাপারের মানুষকে রক্ষার জন্য বড় প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে।

চারবারের সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী সাবেক গণপরিষদ সদস্য ও গোয়ালন্দ সাবেক মহকুমা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী হেদায়েত হোসেনের জেষ্ঠ্যপুত্র। কাজী হেদায়েত হোসেন ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের তিন দিনের মাথায় প্রকাশ্যভাবে হত্যা করা হয় কাজী হেদায়েত হোসেনকে। এরপর কাজী কেরামত আলী আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন।

১৯৯১ সালে ৩৩ বছর বয়সে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এখনও ওই পদেই আছেন। ১৯৯২ সালের ৩১ জুলাই আব্দুল ওয়াজেদ চৌধুরীর মৃত্যুতে রাজবাড়ী-১ আসন শূন্য হলে একই বছর উপ নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রথমবার সংসদ সদস্য হন কেরামত। এরপর ১৯৯৬, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদ্রাসা ও কারিগরি বিভাগের দায়িত্ব নেন কাজী কেরামত আলী।

উড্ডয়নের পর মাঝ আকাশে খুলে পড়ল বিমানের চাকা, ঢাকায় জরুরি অব…
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
যে কারণে খুলনায় রাতে একা চলাচলে পুলিশ সদস্যদের নিষেধাজ্ঞা
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
বিছানায় শুয়েও দু’চোখে ঘুম নেই, মেনে চলুন এই নিয়মগুলো
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
জোড়া গরু জবাই করে জাবি ভিসি, প্রো-ভিসি ও কোষাধ্যক্ষকে সংবর্…
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
বেরিয়ে আসলো তাজমিনের কক্সবাজার যাওয়ার কারণ , যাওয়ার পর তার …
  • ১০ অক্টোবর ২০২৬
ধর্ম অবমাননার অভিযোগে রুয়েটের আইএপি সদস্য বহিষ্কার
  • ১০ অক্টোবর ২০২৬