এলাকার উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শামীম

২৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৩:২০ PM
গণসংযোগ ও জনসভায় ব্যস্ত এ কে এম এনামুল হক শামীম

গণসংযোগ ও জনসভায় ব্যস্ত এ কে এম এনামুল হক শামীম © সংগৃহীত

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি এ কে এম এনামুল হক শামীম। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখীপুর) আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে লড়ছেন তিনি। 

নির্বাচনের শেষ মুহুর্তে আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে ভোটের মাঠে ব্যস্ত সময় কাটছে ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় এ সভাপতির। প্রতিদিন বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ ও জনসভায় ভাষণ দিচ্ছেন তিনি । তুলে ধরছেন বর্তমান সরকারের উন্নয়ন। পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখীপুর) আসনে এ কে এম এনামুল হক শামীমসহ প্রার্থী ছয়জন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জেলা কমিটির সভাপতি সফিকুর রহমান (কিরন)। গত পাঁচ বছরে নড়িয়ায় গৃহহীন হয়েছে অন্তত ২৫ হাজার পরিবার। এ বছর ভাঙনে গৃহহীন হয়েছে ছয় হাজারের বেশি পরিবার। ভাঙন চলাকালে এলাকায় এনামুল হক তৎপর ছিলেন।

তার মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত বেগম আশ্রাফুন্নেছা ফাউন্ডশনের উদ্যোগে চার হাজার পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা ও অর্থ সহায়তা দিয়েছেন। এসব বিষয় তুলে ধরে তিনি ভোটারদের সমর্থন চাইছেন। নড়িয়া-সখীপুরের একটি বিরাট অংশ জুড়ে রয়েছে চরাঞ্চল। চরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তিনি।

এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেন, সরকারের উন্নয়নচিত্র তুলে ধরছি, উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা বলছি, প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। আশা করছি ৮০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে আমি বিজয়ী হব।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতু ঘিরে নড়িয়া-সখীপুরে ব্যাপক উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। আমরা সেসব কথা ভোটারদের কাছে বলছি। আওয়ামী লীগ জয়ী হলে উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। আর পদ্মা নদীর ভাঙন এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের কান্নার কারণ। আমি নড়িয়ার মানুষকে কথা দিয়েছি, তাদের আর চোখের জল ফেলতে হবে না। ভাঙন এলাকার বিলীন হওয়া ভূমি ভরাট করে ক্ষতিগ্রস্তদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

স্কুলজীবনেই ছাত্ররাজনীতির হাতেখড়ি হয় এ কে এম এনামুল হক শামীমের। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশে জাতির পিতার আদর্শ বুকে নিয়ে যোগ দেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে আরো নিবিড়ভাবে জড়িয়ে পড়েন তিনি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের বিপুল ভোটে ১৯৮৯ সালে উনি জাকসুর ভিপি নির্বাচিত হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির পাশাপাশি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় পর্যায়েও উনার ছিলো সদর্প বিচরণ।

১৯৯০ সালে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯২ সালে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ-সভাপতি এবং ১৯৯৪ সালে উনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং ’৯৬ এর খালেদাবিরোধী ‘জনতার মঞ্চ’ এর অন্যতম সংগঠক ছিলেন এনামুল হক শামীম। ২০০৪ সালের গ্রেনেড হামলায় মারাত্মক ভাবে আহত হন। এখনো শরীরে গ্রেনেডের আঘাতের চিহ্ন ও স্প্লিন্টার বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।

এনামুল হক শামীম ২০০২ থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অবজারভার মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারীতে প্রথমবারের মতো এবং ২০১২ সালের ডিসেম্বরের কেন্দ্রীয় সম্মেলনে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সদস্য মনোনীত হন।

২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

 

উড্ডয়নের পর মাঝ আকাশে খুলে পড়ল বিমানের চাকা, ঢাকায় জরুরি অব…
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
যে কারণে খুলনায় রাতে একা চলাচলে পুলিশ সদস্যদের নিষেধাজ্ঞা
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
বিছানায় শুয়েও দু’চোখে ঘুম নেই, মেনে চলুন এই নিয়মগুলো
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
জোড়া গরু জবাই করে জাবি ভিসি, প্রো-ভিসি ও কোষাধ্যক্ষকে সংবর্…
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
বেরিয়ে আসলো তাজমিনের কক্সবাজার যাওয়ার কারণ , যাওয়ার পর তার …
  • ১০ অক্টোবর ২০২৬
ধর্ম অবমাননার অভিযোগে রুয়েটের আইএপি সদস্য বহিষ্কার
  • ১০ অক্টোবর ২০২৬