আগামী মেয়াদে ক্ষমতায় এলে শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দূর করবে আওয়ামী লীগ

১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৫:১৩ PM
বেতন বৈষম্য দূর করার দাবিতে বিভিন্ন সময় মাঠে নেমেছি শিক্ষকরা

বেতন বৈষম্য দূর করার দাবিতে বিভিন্ন সময় মাঠে নেমেছি শিক্ষকরা © ফাইল ফটো

বর্তমান সরকার সরকারী কর্মকতা-কর্মচরীদের বেতন গ্রেড সন্তোষজনক হারে বৃদ্ধি করলেও এক্ষেত্রে এখনো বৈষম্যের শিকার হচ্ছে শিক্ষকরা।  আগামী মেয়াদে সরকার গঠন করতে পারলে এসব বৈষম্য দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আওয়ামী লীগ। আজ মঙ্গলবার সকালে হোটেল সোনারগাঁওয়ের নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ প্রতিশ্রুতি দেন।   

ইশতেহারে শিক্ষকদের বিষয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগের একমাত্র মানদণ্ড হবে মেধা, যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা। প্রশ্নপত্র ফাঁস ও নকল পুরোপুরি বন্ধ করার জন্য গৃহীত ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণায় উৎসাহ ও সহায়তা প্রদান করা হবে। এজন্য বাজেট বৃদ্ধি করা হবে। সকল জেলায় অন্তত একটি প্রাইভেট বা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে।

শিক্ষকদের বেতম গ্রেডের বৈষম্য দূর করার পাশাপাশি শিক্ষা খাতেও আমূল পরিবর্তনের পরিকল্পনা আছে আওয়ামী লীগের।  ক্ষমতায় এলে বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার চর্চা বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণাপত্র তৈরি করবে দলটি।  দেশের ৯৫ শতাংশ শিশুর মাধ্যমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে ২০৩০ সালের মধ্যে।  এছাড়াও ইশতেহারে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ ও তার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগ।  ভাষাজ্ঞান ও গণিতজ্ঞানের গুরুত্ব বিবেচনায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের ভাষা ও গণিত শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। 

ইশতেহারে মাদরাসা শিক্ষার আধুনিকীকরণের ঘোষণাও রয়েছে।  এতে বলা হয়, মাদরাসা শিক্ষায় ধর্মীয় শিক্ষার সাথে কর্মজীবনের প্রয়োজনীয় শিক্ষা প্রদানের জন্য কারিকুলাম যুগোপযোগী করা হবে। নৃ গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষায় শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করে প্রয়োজনীয় সকল বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থায়ও তাদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলা হবে। সকল দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাথমিক স্তর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা পর্যন্ত সকল স্তরের বই ছাপানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। প্রতিবন্ধীদেরও মানবসম্পদে পরিণত করা হবে। বাংলাদেশকে সম্পূর্ণভাবে নিরক্ষরতার অভিশাপমুক্ত করা হবে। প্রাথমিকে ঝরে পড়ার হার শূন্যে নামিয়ে আনা হবে। গত এক দশকে প্রাথমিকে ঝরে পড়ার হার শতকরা ২০ ভাগের নীচে নেমে এসেছে। ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত ঝরে পড়ার হার শতকরা ৫ ভাগে নামিয়ে আনা হবে। স্কুল ফিডিং সকল গ্রামে, আধা মফস্বল শহরে এবং শহরের নিম্নবিত্তের স্কুলসমূহে পর্যায়ক্রমে সর্বজনীন করা হবে। প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে, তা অব্যাহত থাকবে ।

উড্ডয়নের পর মাঝ আকাশে খুলে পড়ল বিমানের চাকা, ঢাকায় জরুরি অব…
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
যে কারণে খুলনায় রাতে একা চলাচলে পুলিশ সদস্যদের নিষেধাজ্ঞা
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
বিছানায় শুয়েও দু’চোখে ঘুম নেই, মেনে চলুন এই নিয়মগুলো
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
জোড়া গরু জবাই করে জাবি ভিসি, প্রো-ভিসি ও কোষাধ্যক্ষকে সংবর্…
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
বেরিয়ে আসলো তাজমিনের কক্সবাজার যাওয়ার কারণ , যাওয়ার পর তার …
  • ১০ অক্টোবর ২০২৬
ধর্ম অবমাননার অভিযোগে রুয়েটের আইএপি সদস্য বহিষ্কার
  • ১০ অক্টোবর ২০২৬