জীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে প্রতিবেশী (দ্বিতীয় পর্ব)

১৯ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৪৯ PM
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী © সংগৃহীত

চলে না, যদিও মনে হয় চলবে। প্রতিবেশী হারিয়ে এখন আমরা নিজেদেরকেই হারিয়ে ফেলছি। আমরা বিচ্ছিন্ন, একাকী, নিঃসঙ্গ, হতাশ ইত্যাদি হয়ে পড়ছি, ক্রমাগত। পারস্পরিক সহযােগিতার ব্যাপারগুলাে তাে রয়েছেই, তাদের আবশ্যকতা থাকবেই। ওই যে এক সময়ে মানুষ একে অপরের জন্য ঝাপিয়ে পড়তাে, বিয়ের আয়ােজন হলে সােরগােল তুলে গান গাইতাে, কেউ মারা গেলে গলা জড়িয়ে ধরে উচ্চস্বরে বিলাপ করতাে, এর খুবই দরকার আছে।

প্রাচীন গ্রিকরা একেই বলতাে বিমােক্ষণ, অনুভবের শক্তিকে সতেজ ও বিকশিত করার ব্যবস্থা। অনুশীলনে হৃদয় উদার হয়। নইলে শুকিয়ে মরে। একান্নবর্তী পরিবারের বিস্তর প্রশংসা করা হয়েছে, প্রশংসার উপাদান সেখানে ছিল বৈকি, কিন্তু সে প্রতিষ্ঠানের একটি বড়াে অপূর্ণতা ছিল এখানে যে ব্যক্তিগত মাপে ছােট হোক বড়াে হােক সবাই ওই পরিবারের সদস্য। কেউ কারাে প্রতিবেশী নয়। সদস্যদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাধে, দ্বন্দ্বে রাষ্ট্র পর্যন্ত ভেঙ্গে যায়, গেছে ভেঙ্গে, তা পরিবার কোন ছার। প্রতিবেশীদের সঙ্গে সদ্ভাব অতি দূর পর্যন্ত গড়ায় না, দেয়াল আছে, সেখানে বাধা পায়।

আর দেয়ালকে লন করে যা ঘটে তা হলাে পারস্পরিক সহযােগিতা, যেটা না থাকলে মানুষের পক্ষে যথার্থ অর্থে বেঁচে থাকাই অসম্ভব হয়ে পড়ে এবং পড়বে। টিকে থাকা হয়তাে যাবে কিন্তু বেঁচে থাকা যাবে না। সে জন্যই তাে ‘প্রতিবেশীকে ভালােবাসাে’ এই কথাটা তাই এতাে জোরে এবং এতাে বার বলা হয়েছে।

প্রতিবেশীকে যে ভালোবাসে না, সে দেশপ্রেমিক হতে পারে না, যতােই কেননা ওই প্রেমের কথা বলুক না কেন। ভালােবাসা মনে বন্ধুত্ব, এর বেশি এগুনাে দরকার নেই, এগুনােটা অফলপ্রসূ এমনকি বিপরীত ফলপ্রসূও হতে পারে। আত্মস্বার্থ সবচেয়ে বড়াে স্বার্থ এবং সেই স্বার্থেই প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্ব অত্যাবশ্যক। ঘরের স্বাস্থ্যের জন্য তো বটেই, মনের স্বাস্থ্যের জন্যও কম নয়। বস্তির সঙ্গে বসতবাড়ির প্রধান তফাৎ এই যে, বসতবাড়ির চারপাশে একটা খােলা জায়গা থাকে যেখানে গিয়ে মানুষ হাঁফ ছাড়তে পারে, যেখান থেকে তার ঘরে আসতে পারে খােলা বাতাস।

ওই খোলা জায়গাটার অভাবে আমরা সবাই আজ বস্তি বাসী হয়ে পড়ছি, সে ধনীই হই কিংবা গরিব। গরিবের তাে কথাই নেই, সে উৎখাত হয়ে যাচ্ছে, প্রতিবেশী সে কোথায় পাবে, সেখানে মাথা গুজবার ঠাই পর্যন্ত নেই। আর ধনীরা এমন সব এ্যাপার্টমেন্ট ও বাড়ি তৈরি করছে যার আশপাশে অনেকেই আছে এবং থাকে, কিন্তু প্রতিবেশী থাকে না।

আমার মায়ের কথাতেই আসি। আমার মাকে কেউ দেশ প্রেমিক বলবে না। তিনি রাজনীতি করবেন কি, রাজনীতির কোনাে খবরই রাখতেন না। রাষ্ট্রের উত্থান ও পতন তার জগতের বাইরে ছিল। কিন্তু আমি তো দেখি আমরা যারা দেশপ্রেমের গান গেয়ে বেড়াই তাদের অনেকের তুলনায় কম নয় বরঞ্চ অধিক দেশপ্রেমিক ছিলেন আমার এই অত্যন্ত সাদামাটা মা’টা।

নিজেকে ছড়িয়ে দিতে পছন্দ করতেন, কথায় না, কাজে। যেখানে যেতেন তার প্রতিবেশী জুটে যেতে, যেখানে থাকতেন দুঃস্থ মানুষকে সাহায্য করতেন। ভেদবুদ্ধি ছিল একেবারেই সামান্য। না থাকার মতােই। সামর্থ্য তাে আরাে কম, তবু তারই মধ্যে উদারতা ছিল প্রবল। সরকারি কলােনি ছেড়ে পুরান ঢাকায় নিজেদের ছােট একটি বাড়িতে গিয়ে উঠেছিলেন আমার মা। আবার এক নতুন পরিবেশ। কাউকে চেনেন না, কারাে সঙ্গে পরিচয় নেই। কিন্তু অল্পদিনেই দেখেছি ঢের প্রতিবেশী পেয়ে গেছেন এবং প্রচুর মানুষের প্রতিবেশী হয়ে উঠেছেন। দেশপ্রেম তাে মানুষের সঙ্গে এই বন্ধুত্ব কি বলি।

আজিমপুর সেই ছােট ফ্ল্যাটটিতে গ্রামের মানুষের আনাগােনা ছিল। তারা সকলেই আসলে আমার পিতার প্রতিবেশী। কেউ ভদ্র ঘরের, কেউ চাষী। কেউ আত্মীয়, কেউ পাশের বাড়ির লােক। সবচেয়ে উজ্জ্বল আগমন ছিল গােয়ালনীর মার। আমার পিতা যার কথা চিঠিতে উল্লেখ করতেন গোয়ালিনীর মাতা বলে। আসল নাম কে জানতাে জানি না, আমরা জানতাম না। অনেকবার নয়, গোয়ালনার মা অনেকবার নয়, একবারই এসেছিলেন শহরের ঐ বাসাতে, কিন্তু এখন মনে হয়, না জানি কতােবার আসা-যাওয়া করেছেন। এমনই প্রতক্ষ্য ও স্মরণীয় ছিল তার উপস্থিতি।

গােয়ালনীর মা এসেছিলেন খােলা মাঠ, আকাশ, পাশের খাল, ঘরের অনেক গরু, বর্গাচাষের বিস্তর ক্ষেত এসবের আবহাওয়াটা সঙ্গে নিয়ে। ঢাকা শহরে আগে কখনাে আসেননি, লঞ্চে এসে নেমেছেন সদরঘাটে, ঠিকানার চিরকুটটি সম্বল করে রিক্সা করে সরাসরি আজিমপুরে। সঙ্গে এক টিন মুড়ি, অনেক নাড়, গুড় ও মস্ত একটা কুমড়া, সব নিয়ে হইচই করে ঢুকেছেন আমাদের বাসস্থানে।

বিধবা মহিলা, আমার মায়ের চেয়ে বয়স বেশি; মাকে জড়িয়ে ধরে বলেছেন, “তুমি আবার দেবারে কইয়া দিয়াে না যে, আমি তােমাগাে হাতে রান্না ভাত খাইছি। কইবা যে দুইদিন আছিল ওই মুড়ি আর গুড় খাইয়া কাটাইছে।’’ বলে হা হা করে হেসে দেবার মুস্কিলটা আসান করে দিয়েছেন। দেবা তার ভাইয়ের ছেলে। কাঠমিস্ত্রি। মানুষের বাড়িতে বাড়িতে কাঠের কাজ করে। তারই বরঞ্চ উদার হওয়ার কথা।

পুরানা ঢাকায় আমাদের ওই ঘর তৈরির সময় কাঠমিস্ত্রির কাজ সেই করেছে। স্বভাবতই দেবা ব্রাহ্মণ নয়, নিম্নবর্ণের, কিন্তু জাত হারাবার ভয়টা ছিল খুবই প্রবল। গােয়ালনীর মার সে রকম কোনাে ভয় ছিল বলে মনে হয় না। বড়ােই প্রাণবন্ত ছিলেন ঐ মহিলা।

আমার মা’র দুই দিকে ওই দুই প্রতিবেশী। একজন বিহারি অন্যজন বিক্রমপুরী। তাদের উভয়ের পক্ষেই নিজের জায়গাটিতে, নিজেদের প্রতিবেশীর পাশাপাশি থাকা কঠিন ছিল। রিজভী সাহেবরা নিজেদের ঘরবাড়ি ফেলে চলে এসেছিলেন ঢাকায়। যেখানে তাদের আসবার কথা নয়, যেখানে আপনজনের কথা পরে হবে, পরিচিত জন বলতেই কোনাে কেউ ছিল না।

একেবারেই ঠিকানাবিহীন যাত্রা। অথচ এ ঘটনার জন্য তিনি দায়ী নন। কোনাে মতেই নয়। নিরীহ ছাপােষা সরকারি কর্মচারী, অত্যন্ত সজ্জন, অবসর সময়ে হােমিওপ্যাথির বই পড়েন ও রোগী দেখেন, সেই মানুষটি কোথায় ছিটকে এসে পড়েছেন। ‘৫২-এর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের সময় সলিমুল্লাহ হলের সামনে এক সমাবেশে একটি অবাঙালি ছাত্রকে দেখেছিলাম উর্দু ভাষায় বাংলার পক্ষে বক্তৃতা করছে। পরে জেনেছি ছেলেটি রিজভী পরিবারের আত্মীয়।

৭১-এ জীবিত ছিলেন না পরিবারের কর্তাব্যক্তি রিজভী সাহেব, আগেই মারা গেছেন শুনেছি, ক্যানসারে; তার অনেক আগেই আমরা বাসা ছেড়ে দিয়েছি, দুই পরিবারই। কর্তাদের অবসর গ্রহণের কারণে। ঐ বিহারি পরিবারটির কি হয়েছে জানি না। হয়তাে কোনােমতে করাচি চলে গেছে, দ্বিতীয়বার উদ্ভ্রান্ত হয়ে। করাচি তাদের দুবাহু বাড়িয়ে যে গ্রহণ করে নি, মােহাজের বলে আলাদা করেই রেখেছে, সে তো আমরা শুনতে পেয়েছি, এখনাে পাই, পেতে থাকি।

গােয়ালনীর মা'র ও উদ্বাস্তু হয়ে যাওয়ার কথা ছিল, রিজভী সাহেবদের মতােই এবং ঐ সাতচল্লিশেই। অনেক চলে গেছে, কোথায় গেছে কে জানে, যেখানে গেছে সেখানে বর্গাচাষের ক্ষেত, গরু পালার মাঠ এই সব পেয়েছে কি না কে বলবে। পাওয়ার কথা নয় বলেই জানি আমরা। '৪৭-এর পর গ্রামে আমাদের ঐ প্রতিবেশী পরিবারটি আমার বাবাকে জিজ্ঞাসা করেছিল, তারা কি করবে, থাকবে নাকি চলে যাবে? আমার বাবা অভয় দিয়েছেন, কেন যাবে, আমরা আছি না, অবশ্যই থাকবে তােমরা। কেউ কেউ চলে গেছে। যাওয়ারই কথা।

খালের এপাড়ে গােয়ালনীর মা’দের পাড়া, সন্ধ্যায় সেখানে ঘণ্টা বাজে পূজার, ওপারে মসজিদ, সেখানে আজান হয় ঐ সময়েই। এ নিয়ে একবার একটা উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল বলে শুনেছি। কিন্তু মীমাংসা হয়ে গেছে, এপার-ওপারের কর্তাব্যক্তিদের মধ্যস্থতায়। এপারের ব্যক্তিদের মধ্যে প্রধান ছিলেন আমার এক দাদা, যিনি হজ করে এসেছিলেন, লােকে বলতাে হাজি সাহেব, কাঁসার বাটিতে করে গােয়ালনীর মা’দের বাড়ির দুধ না পেলে যার প্রাতরাশ অসম্পূর্ণ রয়ে যেতাে।

‘৪৭-এর পরে আপাত কোনাে বিরােধ ছিল না; মন্দিরের ঘণ্টা তখনাে বাজতাে বটে, তবে বেশ সতর্কতার সঙ্গে। কিন্তু নীরবে দেশত্যাগ চলেছে এবং দেশত্যাগ করবে বলে খবর পেলে অত্যন্ত সৎ প্রতিবেশীও দেখা গেছে বেশ লােভী হয়ে উঠেছে, তার চোখেও যে বিদ্যুৎ খেলে উঠেছে, তা বন্ধুত্বের নয়, জবরদখলকারী।

‘৭১-এর পরেও আবার ঐ একই প্রশ্ন। এবার দেবেন্দ্র অর্থাৎ দেবা জিজ্ঞাসা করেছে আমার এক ভাইকে, দেশতাে স্বাধীন হলাে, কিন্তু আমরা থাকতে পারবাে তাে? আমার পিতা তখন জীবিত নয়, আমার ভাই বলেছে, অবশ্যই। এখন তাে আর শত্রু বলতে কেউ নেই। কিন্তু এরপরেও অনেক চলে গেছে। গােয়ালনীর মা তাে মারা গেছেন অনেক আগেই, দেবেন্দ্র আছে, কিন্তু এখন আগের মতাে কাজ পায় না। কোনােমতে টিকে আছে, চাষবাস করে।

‘৪৭-এ প্রতিবেশীর শক্র হয়েছিল, সাম্প্রদায়িকতার কারণে। শুরু বেশ আগে থেকেই, '৪৭ হচ্ছে একটা পরিণিত। ঐ শক্রতার জন্য প্রতিবেশীরা দায়ী নয়, দায়ী হচ্ছে প্রতিষ্ঠিত হিন্দু ব্রাহ্মণদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠাকামী মুসলমান ব্রাহ্মণদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা। তার কারণে ভারত-বিভাগ ঘটেছে, রিজভীরা এপারে এসেছেন, গােয়ালনীর মা’রা ওপারে চলে গেছেন। আরেক বিভাজন শ্রেণীর।

‘৪৭-এর পরে সমাজের ক্ষুদ্র একটি অংশ ওপরে উঠে গেছে, নিচে নেমে গেছে বৃহদাংশ। অনেক প্রতিবেশীই আর প্রতিবেশী থাকে নি। ‘৭১-এর বিপন্ন বাঙালি পরস্পরের মিত্রে পরিণত হয়েছিল। শহরের মানুষ তাড়া খেয়ে গ্রামে চলে গেছে; বিপদ-আপদ অগ্রাহ্য করে গ্রামের মানুষ তাদের আশ্রয় দিয়েছে। সকলেই তখন সকলের প্রতিবেশী, মনে হয়েছিল এই বন্ধুত্ব ভাঙবার নয়।

কিন্তু ভেঙ্গে গেছে ঠিকই। ক্ষণিকের অতিথিরা সবাই চলে এসেছে, রাজধানীতে। গ্রামের মানুষও উত্থাত হয়ে গেছে, ক্রমাগত। ভূমি থেকে, পরিবেশ থেকে, গৃহ থেকে। অনেকে চলে এসেছে শহরে। সেখানে কেউ কারাে প্রতিবেশী নয়। কিন্তু বস্তিতে যে টিকে থাকবে তাও তাে পারছে না। সরকার তাদের উচ্ছেদ করে, বলে দুর্বৃত্ত; ঠিক সেই নামে ডাকে যে নামে হানাদার পাকিস্তানীরা ডাকতাে বস্তিবাসীকে '৭১-এ। প্রকৃত দুবৃত্তরা তাদের কাছ থেকে চাঁদা নেয় এবং আগুন। লাগিয়ে দিয়ে যা কিছু সম্বল ছিল পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়। একটি সরকারি উদ্যোগ, অপরটি ব্যক্তিগত, কিন্তু উদ্দেশ্য অভিন্ন, সেটি আর কিছুই নয়, বস্তির ঐ সরকারি জমি ব্যক্তিগত মালিকানায় নিয়ে আসা।

এই যে মানুষ প্রতিবেশীহীন হয়ে পড়ছে, এ একটা ঐতিহাসিক প্রক্রিয়া। এর জন্য ব্যক্তি দায়ী নয়। দায়ী হচ্ছে ব্যবস্থা। ব্যবস্থাটা পুঁজিবাদী, এই ব্যবস্থা মানুষকে বিচ্ছিন্ন করে পরস্পর থেকে, দুর্বলকে নামিয়ে দিয়ে প্রবলকে আরাে শক্তিশালী করে এবং সকলকেই বস্তিবাসীতে পরিণত করে। এই ব্যবস্থায় গরিব বস্তিবাসী তাে অবশ্যই, ধনীও বস্তিরই বাসিন্দা। সবাই উৎপাটিত, সকলেই খোলা জায়গা-বিবর্জিত এবং প্রতিবেশীবিহীন।

এই ব্যবস্থায় আমরা ভিড় পাবাে, কিন্তু প্রতিবেশী পাবাে না; এখন যেমনটা পাচ্ছি এবং পাচ্ছি না। এবং প্রতিবেশী না পেলে আমরা বাঁচবাে না। গলা উচিয়ে বলতে হয়, দুর্বৃত্তটাকে চিনে নিন। এ আমাদের বাঁচতে দেবে না। এর হাত রক্তাক্ত, এ আরাে রক্ত ঝরাবে, যদি একে প্রতিহত না করি।

প্রথম পর্ব: বন্ধুত্ব হচ্ছে শান্ত প্রবাহ, প্রেম প্রবল স্রোত

[বাংলাদেশের প্রবন্ধ ২০২০ থেকে: জীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে প্রতিবেশী- দ্বিতীয় পর্ব] 

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, দৈনিক মিলবে ১০ মিলিয়ন …
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
গাকৃবিতে শিল্প-সহযোগিতা ও ক্যারিয়ার গঠনে দিনব্যাপী সেমিনার
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
ইউআইইউর সহযোগিতায় জামালপুরে ‘রোবো ফেস্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
এলপি গ্যাসে আরও একলাফ, বাড়ল ২২৩ টাকা
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
যশোরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেওয়ার চেষ্টা, আটক ৪১
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে মাদ্রাসা শিক্ষকদের মানতে হবে…
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
×
NORTH SOUTH
UNIVERSITY Center of Excellence
UNDERGRADUATE
ADMISSION
SPRING 2027
APPLY NOW
APPLICATION DEADLINE
NOVEMBER 22, 2026
ADMISSION TEST
NOVEMBER 28, 2026
WORLD RANKINGS 2027#801-1000
WORLD RANKINGS 2027#901-950