ঈদে ঢাকা মহানগরীতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের নির্দেশনা

১৯ মার্চ ২০২৫, ০৬:০৩ PM , আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৫, ০৩:২৪ PM
ডিএমপি

ডিএমপি © সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতর উৎসবমুখর ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে এবং ঈদে বাসা-বাড়ি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিপণি-বিতানের সার্বিক নিরাপত্তায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। আজ মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় ডিএমপি।

নগরবাসীর প্রতি তাদের নির্দেশনাগুলো হল: 

বাসা-বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, ব্যাংক-বীমাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিপণি-বিতানের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত নিরাপত্তা রক্ষীদের ডিউটি জোরদার করতে হবে এবং যেকোনো অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা নজরদারির ব্যবস্থা রাখতে হবে। সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারক করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে একসাথে ছুটি প্রদান না করে একটি অংশকে দায়িত্বপালনে নিয়োজিত রাখা যেতে পারে যাতে তারা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সার্বিক তদারক করতে পারে।

বাসা-বাড়ি ও প্রতিষ্ঠান ত্যাগের পূর্বে দরজা-জানালা সঠিকভাবে তালাবদ্ধ করে যেতে হবে। প্রয়োজনে একাধিক তালা ব্যবহার করা যেতে পারে। দরজা-জানালা দুর্বল অবস্থায় থাকলে তা মেরামত করে যথাসম্ভব সুরক্ষিত করতে হবে।

বাসা-বাড়ি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিপণি-বিতানে পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে এবং স্থাপিত সিসি ক্যামেরাসমূহ সচল থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

বাসা-বাড়ির মূল দরজায় অটোলক ও নিরাপত্তা এ্যালার্মযুক্ত তালা ব্যবহার করা যেতে পারে, রাতে বাসা ও প্রতিষ্ঠানের চারপাশ পর্যাপ্ত আলোকিত রাখার ব্যবস্থা করতে হবে, অর্থ, মূল্যবান সামগ্রী ও দলিল নিরাপদ স্থানে বা নিকট আত্মীয়ের হেফাজতে রেখে যেতে হবে। প্রয়োজনে ব্যাংক লকারের সহায়তা নেয়া যেতে পারে।

বাসা-বাড়ি ত্যাগের পূর্বে যে সকল প্রতিবেশী/পাশের ফ্ল্যাটের অধিবাসী ঢাকায় অবস্থান করবেন তাদের বাসার প্রতি লক্ষ্য রাখতে অনুরোধ করতে হবে এবং ফোনে তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে। ভাড়াটিয়াগণকে পূর্বেই বাসার মালিককে ঈদ উপলক্ষ্যে বাসা ত্যাগের বিষয়টি অবহিত করতে হবে।

অনুমতি ব্যতীত কেউ যেন বাসা বা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করতে না পারে এ বিষয়ে বাসা বা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মীকে সতর্ক করতে হবে ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করতে হবে। বাসা-বাড়ি বা প্রতিষ্ঠান ত্যাগের পূর্বে লাইট, ফ্যানসহ অন্যান্য ইলেকট্রিক লাইনের সুইচ, পানির ট্যাপ, গ্যাসের চুলা ইত্যাদি বন্ধ করা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। বাসা বা প্রতিষ্ঠানের গাড়ির গ্যারেজ সুরক্ষিত রাখতে হবে।

বাসার জানালা/দরজার পাশে কোন গাছ থাকলে অবাঞ্ছিত শাখাপ্রশাখা কেটে ফেলতে হবে যাতে অপরাধীরা গাছের শাখাপ্রশাখা ব্যবহার করে বাসায় প্রবেশ করতে না পারে। মহল্লা/বাড়ির সামনে সন্দেহজনক কাউকে/দুস্কৃতকারীকে ঘোরাফেরা করতে দেখলে বা কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ি ও থানাকে অবহিত করতে হবে। 

ডিএমপির গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি ঈদে বাসা-বাড়ি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিপণি-বিতানের অধিকতর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ নির্দেশনাগুলো মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে পুলিশি সহায়তার জন্য যোগাযোগের নম্বরসমূহ হল— ০১৩২০-০৩৭৮৪৫; ০১৩২০-০৩৭৮৪৬;
২২৩৩৮১১৮৮; ০২৪৭১১৯৯৮৮; ০২৯৬১৯৯৯৯। এছাড়া জাতীয় জরুরি সেবার নম্বর: ৯৯৯।

ফিফার যে সিদ্ধান্তে ভুগছে বড় দলগুলো
  • ১৮ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপের সবচেয়ে বাজে ম্যাচটি খেললেন রোনালদো?
  • ১৮ জুন ২০২৬
পর্তুগালকে রুখে দিয়ে কঙ্গোর বিশ্বকাপ রূপকথা এবং নকআউটের সমী…
  • ১৮ জুন ২০২৬
বিএনপি নেতাকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় নির্মাণ কাজ বন্ধে…
  • ১৮ জুন ২০২৬
বড় টুর্নামেন্টে ১০ ম্যাচ ধরে গোলশূন্য রোনালদো 
  • ১৮ জুন ২০২৬
হলান্ড-এমবাপ্পের জোড়া গোল, বিপরীতে রোনালদোর চরম ব্যর্থতা
  • ১৮ জুন ২০২৬