পরে বন্দুকধারী ফাঁকা গুলি ছুড়তে শুরু করেন। শ্রেণিকক্ষে থাকা অপর শিক্ষক ও সেরিলোর বন্ধুদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকেন তিনি। সেরিলো বলে, তার পাশ দিয়েই বুলেট উড়ে যাচ্ছিল। বিভিন্ন ক্ষুদ্র কণা এসে তার মাথা ও ঘাড়ে আঘাত করছিল।
মিয়া সেরিলো আরও বলেছে, তার শ্রেণিকক্ষে গুলি চালানোর পর বন্দুকধারী পাশের কক্ষে চলে যান। ওই কক্ষে চিৎকার ও গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছিল। গুলি ছোড়া বন্ধ করার পর বন্দুকধারী উচ্চ স্বরে গান বাজাতে শুরু করেন। কষ্টের গান বাজাতে থাকেন তিনি।
সেরিলো ও তার এক বন্ধু মিলে তাদের মৃত শিক্ষকের মুঠোফোন হাতে নেয় এবং ৯১১–তে কল করে সাহায্য চায়। সেরিলোর আশঙ্কা ছিল বন্দুকধারী তাকে ও অন্য জীবিত বন্ধুদের মেরে ফেলতে আবারও ওই শ্রেণিকক্ষে ফিরে আসবেন। এমন অবস্থায় এক মৃত বন্ধুর শরীরে থাকা রক্ত হাতে নিয়ে নিজের শরীরে মাখাতে শুরু করে সে। এরপর বন্ধুদের নিয়ে মৃতের মতো মেঝেতে শুয়ে থাকে। এভাবে তিন ঘণ্টা ধরে তাকে মৃতের অভিনয় করতে হয়েছে।