প্রাথমিক বিদ্যালয়

চার বছরেও দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা পাননি প্রধান শিক্ষকরা

১২ জানুয়ারি ২০১৯, ০১:২৫ PM

© ফাইল ফটো

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা পেয়েছেন ২০১৪ সালে। তৃতীয় শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ার দীর্ঘ চার বছর পার হলেও দ্বিতীয় শ্রেণির কোনো আথির্ক সুবিধা পাচ্ছেন না তারা। অন্যদিকে প্রায় একদশক পযর্ন্ত প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি বন্ধ থাকায় ২০ হাজারেরও বেশি স্কুলে প্রধান শিক্ষক পদ বছরের পর বছর শূন্য পড়ে আছে। কোনো ধরনের আথির্ক সুবিধা ছাড়াই সহকারী শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০০৯ সালের যে মামলার কারণে সহকারি প্রধান শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি বন্ধ ছিল, ২০১৪ সালে তার সুরাহা হলেও চালু হয়নি পদোন্নতি। কারণ ওই বছরই প্রধান শিক্ষকের পদমযার্দা দ্বিতীয় শ্রেণি করায় প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পদোন্নতির দায়িত্ব চলে যায় বাংলাদেশ পাবলিক সাভির্স কমিশনের (পিএসসি) অধীনে। কিন্তু পিএসসির এ বিষয়ে নীতিমালা না থাকায় এ সমস্যার সমাধান করা যায়নি এখনো।   

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে গত বছরের ২৩ মে ভারপ্রাপ্ত এসব প্রধান শিক্ষককে চলতি দায়িত্ব পালনের নিদের্শ দিয়ে চিঠি দেয়া হয়। কিন্তু চিঠিতে বলা হয়, প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও প্রধান শিক্ষক পদের কোনো প্রকার সুযোগ-সুবিধা তারা পাবেন না। সহকারী শিক্ষক হিসেবেই তারা যে বেতন ভাতা পান, তাই বজায় থাকবে।

চিঠিতে আরও জানানো হয়, প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের ক্ষেত্রেও তারা কোনো ধরনের অগ্রাধিকার পাবেন না। নিধাির্রত তারিখের মধ্যে ভারপ্রাপ্ত এসব প্রধান শিক্ষক বদলিকৃত স্কুলে যোগদান না করলে তাদের চাকরিও থাকবে না। ফলে চাকরি রক্ষার্থে তারা নতুন স্কুলে যোগ দিতে বাধ্য হন।

দীর্ঘদিন ধরে পদমর্যাদা অনুযায়ী আর্থিক সুবিধা না পাওয়া ও পদোন্নতি বন্ধ থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা।  সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ সমস্যার দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তারা। কয়েকজন প্রধান শিক্ষকের বলেন, ‘আমরা জেনেছি যখন থেকে চলতি দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, তখন থেকে আমাদের মাসে এক হাজার ৫০০ টাকা করে বকেয়া বিল দেয়া হবে। তা ছাড়া আমাদেরকে নিয়মিত করারও কাযর্ক্রম শুরুর কথাও জানানো হয়েছে।  কিন্তু এসবের কোনটাই দৃশ্যমান নয়। 

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের তৃতীয় শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির পদমযার্দা দেয়া হয়। কিন্তু এখনো তারা শুধু নামেই দ্বিতীয় শ্রেণির পদমযার্দার অধিকারী। বতর্মানে দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি কমর্চারীরা বেতন পান দশম গ্রেডে। কিন্তু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা বেতন পান ১১তম গ্রেডে। 

বতর্মানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে ৬৫ ভাগ শূন্যপদ পূরণ করার নিয়ম সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির মাধ্যমে। বাকি ৩৫ ভাগ পদ পূরণ করা হয় সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে। পদোন্নতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণের দীঘির্দনের জটিলতার কারণে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গত বছর ২৩ মে থেকে সহকারী শিক্ষক যারা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তাদের চলতি দায়িত্ব দিয়ে চিঠি দেয়া শুরু করে। ২৩ মের আগ পযর্ন্ত পুরনো ৩৭ হাজার ৬৭২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২০ হাজারের কিছু বেশি স্কুলে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য ছিল। এর মধ্যে ১৬ হাজারের বেশি পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণের কথা।

এমপি শাহজাহান চৌধুরীর উপস্থিতিতে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদে…
  • ০৮ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশ পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ দেবে ৬৪ জেলায়, আবেদন শুরু ১৩ …
  • ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • ০৮ অক্টোবর ২০২৬
নামের আগে ‘শায়খ’ কেন, বললেন আহমাদুল্লাহ
  • ০৮ অক্টোবর ২০২৬
গবেষণার ফলাফলকে ব্যবহারিক ও বাণিজ্যিক পণ্যে রূপান্তর করতে হ…
  • ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি-সংযুক্তি তথ্য হালনাগাদে জরুরি নির্দ…
  • ০৮ অক্টোবর ২০২৬