ইসরায়েলিদের গ্রিনল্যান্ডে পাঠানোর প্রস্তাব ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
- টিডিসি ডেস্ক
- প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৫, ০৫:১১ PM , আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০২৫, ০৫:১১ PM

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার সাধারণ ফিলিস্তিনিদের জর্ডান ও মিসরে পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কারণ তিনি গাজাকে ‘পরিষ্কার’ করতে চান। গত রবিবার (২৬ জানুয়ারি) সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, তিনি জর্ডানের বাদশা দ্বিতীয় আব্দুল্লাহর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাকে অনুরোধ জানিয়েছেন, তার দেশে যেন গাজাবাসীকে আশ্রয় দেওয়া হয়।
ট্রাম্পের এ প্রস্তাবের জবাবেই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, দখলদার ইসরায়েলিদের যেন ডেনমার্কের গ্রিনল্যান্ডে পাঠানো হয়। এতে এক ঢিলে দুই পাখি মারা যাবে।
তিনি বলেন, ‘ট্রাম্প গাজাবাসীকে সরাতে চান। তবে আমার পরামর্শ অন্য কিছু। ফিলিস্তিনিদের গাজা থেকে সরানোর বদলে ইসরায়েলিদের সরানোর চেষ্টা করুন। তাদের গ্রিনল্যান্ডে নিয়ে যান, যেন তারা এক ঢিলে দুই পাখি মারতে পারে।’
স্কাই নিউজ আরাবিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা করা হলে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে এর কঠোর জবাব দেব।’
উল্লেখ্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রাথমিকভাবে তার প্রথম মেয়াদে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের পরামর্শ দিয়েছিলেন। এবার ক্ষমতায় আসার পর তার এ দাবিটি দ্বিগুণ হয়েছে। তিনি বলেছেন, ডেনমার্ককে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ বানাবেন তিনি। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
গত শনিবার ট্রাম্প প্রকাশ করেছেন যে তিনি জর্ডানের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সাথে গাজা থেকে ১ মিলিয়নেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে প্রতিবেশী দেশগুলিতে স্থানান্তর বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি আরও বলেছিলেন, তিনি রবিবার মিশরের রাষ্ট্রপতি আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সাথে একই সমস্যাটি সমাধান করার পরিকল্পনা করেছেন।
এদিকে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিকার করেছেন দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে গত ১৫ মাসের যুদ্ধে তাদের আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠীগুলো দুর্বল হয়ে গেছে। তবে তারা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়নি।
তিনি বলেন, ‘হামাস ও হিজবুল্লাহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু একই সময় তারা নিজেদের গঠন করছে। আমি বলি, এটি হলো একটি চিন্তার স্কুল, এটি একটি ধারণা, এটি একটি কারণ, এটি (প্রতিরোধ বাহিনী) এমন একটি বিষয় যা সবসময় থাকবে।’