হাটহাজারী থানার চিত্র © সংগৃহিত
চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায় হেফাজতের কর্মী হিসেবে পরিচিত ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। মাদরাসা ছাত্ররা আকস্মিকভাবে থানায় আক্রমণ করলে পুলিশ গুলি চালিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে। এ ঘটনার পর ছাত্ররা মাদরাসার সামনে অবস্থান নিয়ে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়ক অবরোধ করে রেখেছে।
শুক্রবার (২৬ মার্চ) জুমার নামাজের পর এই সংঘর্ষ হয়।
হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় চট্টগ্রাম-হাটহাজারী-নাজিরহাট সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুর সোয়া ২টার দিকে হাটহাজারী মাদরাসা থেকে মিছিল নিয়ে হাজারখানেক ছাত্র আনুমানিক ৫০০ মিটার দূরে থানার সামনে যায়। তারা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছিল। ছাত্ররা থানার সামনে গিয়ে হঠাৎ ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। থানার সামনে লাগানো স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে। ছাত্রদের ছোঁড়া ইট-পাথরের টুকরায় থানার সামনের কাচের দরজা ভেঙে যায়। বিভিন্ন আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ প্রথমে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে। এরপর পুলিশ ও হেফাজত কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পুলিশ আরও কয়েক রাউন্ড হুলি ছোঁড়ার পর ছাত্ররা পিছু হটে।
হেফাজতের সহসাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইদ্রিস বলেন, ‘পুলিশের গুলিতে কমপক্ষে সাত জন ছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়েছে। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বিনা উস্কানিতে পুলিশ ছাত্রদের মিছিলে গুলি চালায়।’