বাবাকে কোনোদিন নিরাশ হতে দেখিনি, মির্জা ফখরুলের মেয়ের স্ট্যাটাস

২৬ জানুয়ারি ২০২১, ০৬:১৬ PM
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (বাঁয়ে) ও তাঁর বড় মেয়ে শামারূহ মির্জা

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (বাঁয়ে) ও তাঁর বড় মেয়ে শামারূহ মির্জা © সংগৃহীত

‘মির্জা আলমগীরের সারাজীবনের রাজনীতি বৃথা যাবে না’

 

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ৭৪তম জন্মদিন আজ। কখনোই আড়ম্বরপূর্ণভাবে জন্মদিন পালন করেন না বিএনপির মহাসচিব। দলীয় নেতাকর্মীরা তাকেঁ শুভেচ্ছা জানান। অন্যদিনের মতোই নিয়মিত কাজ চালিয়ে যান। তাই বরাবরের মতো এবারও জন্মদিনের বিশেষ কোনো আয়োজন থাকছে না।

বাবার জন্মদিনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন মির্জা ফখরুলের বড় মেয়ে শামারূহ মির্জা। শামারুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এই প্রতিষ্ঠানেই শিক্ষকতা করেছেন। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কর্মরত আছেন।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে মির্জা ফখরুলের মেয়ে শামারূহ লেখেন, 'আমরা দুই বোন যখন ছোট্ট ছিলাম, আমার বাবা চাকরি ছেড়ে, পুরো পরিবারকে ঢাকায় ফেলে ঠাকুরগাঁয়ে চলে যান। এক-দুদিন না, বছরের পর বছর আমরা বড় হয়েছিলাম বাবাকে কাছে না পেয়ে, কারণ তিনি চেয়েছিলেন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য কিছু করবেন।
খুব কঠিন ছিলো আমাদের বড়ো হওয়া।
আমরা কষ্ট পেয়েছি, বিরক্ত হয়েছি কিন্তু আমার বাবাকে কোনোদিন নিরাশ হতে দেখিনি। ৩০ বছর পেরিয়ে গেলো, আমরা টুক টুক করে বড় হলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছি, পিএইচডি করেছি, চষে বেড়িয়েছি পৃথিবী। প্রায়ই ভাবি, আমার বাবাও শিক্ষক ছিলেন, তার জন্যও আমার এই জীবনটা সম্ভব ছিলো। কিন্তু তিনি কঠিনকে ভালোবেসেছিলেন-আপনাদের জন্য। সত্যিই বলছি আপনাদের জন্য।
মির্জা আলমগীর এই ৭৩ বছরেও হতোদ্যম হননি। আজকে এই জেলে তো কালকে ওই কোর্টে। শরীরটাও ভালো না। আমি তার মেয়ে- আমার দুশ্চিন্তার কোনো শেষ নেই। জিজ্ঞেস করলেই আব্বু বলে, লড়াই আমাদের করতেই হবে শেষ পর্যন্ত। মির্জা আলমগীর বাসায় আমাদের যা বলেন, যে ভাষায় বলেন, আপনাদেরকেও ঠিক তাই বলেন- মন থেকে বলেন। তার চেহারা একটাই।
মির্জা আলমগীর প্রতিশোধের জন্য রাজনীতি করেননি। তিনি শুধু একটাই জিনিস চেয়েছেন সারা জীবন- গণতন্ত্র, সাধারণ মানুষের উন্নতির রাজনীতি। বাংলাদেশের আজকের পরিস্থিতিটা খুবই সহজ আসলে, আপনি যদি চিন্তা করেন। হয় আপনি সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার অধিকারের পক্ষে, না হলে আপনি শহরের কিছু কোটিপতির আরো বড়লোক হওয়ার পক্ষে। হয় আপনি ইনসাফের পক্ষে, না হয় আপনি বিনা বিচারে মানুষকে হত্যার পক্ষে, রামদা আর হাতুড়ির পক্ষে।
ক্লিশে মনে হতে পারে কিন্তু আব্বুর সারা জীবন না হলেও অন্তত আমার সারা জীবনটুকু তিনি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্যেই দিয়েছেন। আজকে তার প্রয়োজন আপনাদের। আপনারা কেন ধরেই নিয়েছেন যে লুটপাট আর হত্যাই বাংলাদেশের একমাত্র পরিণতি। আপনারা কি স্বপ্ন দেখতে ভুলে গেছেন? মানুষটা তার যৌবন দিয়েছেন এই দেশের সাধারণ মানুষের জন্য, এই শেষ বয়সে এসে ক্ষমতাধর আর লুটেরাদের বিরুদ্ধে লড়ছেন।
আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে। মির্জা আলমগীরের সারা জীবনের রাজনীতি বৃথা যাবে না। আপনি আর আমি এই ঘুরে দাঁড়ানোর রাজনীতির অংশ হবো। আমরা আমাদের সন্তানদের এমন বাংলাদেশ দিয়ে যাবো যেন তারা গর্ববোধ করতে পারে। শুধু বাংলাদেশ স্বাধীন হলে চলবে না, বাংলাদেশের মানুষকেও স্বাধীন হতে হবে।'

রেজিস্ট্রেশন ছাড়া উপবৃত্তি নয়, ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের স…
  • ১৬ মার্চ ২০২৬
তথ্য অধিদপ্তরে বিভিন্ন গ্রেডে চাকরি, পদ ৬৮, আবেদন শুরু ১ এপ…
  • ১৬ মার্চ ২০২৬
সহায়তা না দিলে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ‘খারাপ’ হবে: ট্রাম্প 
  • ১৬ মার্চ ২০২৬
বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সুযোগে পাহাড় কেটে বালু লুট
  • ১৬ মার্চ ২০২৬
আবেদন না করলেও বেসরকারি শিক্ষকদের বদলি করতে পারবে সরকার
  • ১৬ মার্চ ২০২৬
আওয়ামী পেশাজীবী কমিটির ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি বিএনপির এ…
  • ১৬ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence