পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়লে সুস্থ থাকা যায়: গবেষণা

১৭ আগস্ট ২০২০, ০৮:১৭ PM

© ফাইল ফটো

ধর্মপ্রাণ মুসলানদের জন্য প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ (নির্দিষ্ট নামাজের নির্দিষ্ট সময়) আদায় করা আবশ্যক বা ফরজ। নামাজ ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি। ঈমান বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মুসলিমরা দিনে পাঁচবার নামাজ পড়ে।

ইসলামী চিন্তাবিদরা বলছেন, নামাজ নির্ধারিত সময়ে পড়ার জন্য মুমিনদের ওপর ফরজ করা হয়েছে। নামাজের এই বিধানটি মুসলমানদের জন্য অনেকভাবেই উপকারী। বিশেষভাবে নামাজ মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দেয়। যেই মানুসিক চাপগুলো আমাদের দৈনন্দিনের জীবনে তৈরি হয়।

এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিংহ্যাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা এটা প্রমাণ করেছে যে, দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার মাধ্যমে মানুষ স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও উপকৃত হতে পারে এবং শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে পারে।

গবেষকরা বলেছেন, নামাজের সময় শারীরিক যে ক্রিয়া হয়ে থাকে, এটা যদি নিয়মিতভাবে ও নির্ধারিত সময়ে হয় তবে অন্য সকল চিকিৎসা থেকে পিঠের ব্যথা কমানোর ক্ষেত্রে বেশি ভূমিকা পালন করবে এই নামাজ।

শারীরিক এই উপকার ছাড়াও নামাজ আল্লাহর সাথে মানুষের সম্পর্ক বৃদ্ধি করে। আর এই সম্পর্ক মানুষের আত্মাকে প্রশান্ত করে। নিয়মিত নামাজ শরীরের ওপর এই ঝিম প্রভাব, রক্তচাপ এবং হৃদস্পন্দন কমাতে পারে, পরিণামে পেশী শিথিল করতে সাহায্য করে।

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহপাক ইরশাদ করেছেন, তারাই এ ধরনের লোক যারা (এ নবীর দাওয়াত) গ্রহণ করেছে এবং আল্লাহর স্মরণে তাদের চিত্ত প্রশান্ত হয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিংহ্যাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দেখিয়েছেন, যদি কেউ ঠিকমতো রুকু করতে পারে, তাহলে তার পিঠে কোনো ব্যথা থাকবে না। কেননা রুকুর সময়ই পিঠ সময় হয়ে থাকে। এই গবেষণায় মূলত নামাজ পড়লে শারীরিক যে উপকারগুলো হবে সেই বিষয়গুলোকেই বড় করে তুলে ধরা হয়েছে।

বিসিবির আরেক পরিচালকের পদত্যাগ
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সাক্ষাৎ
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি সংকট ‘একনলেজ’ করবেন কিনা? হাসনাতের প্রশ্নে কী বলল…
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন বিভাগে নিয়োগ দেবে শিক্ষক…
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
কোহলিকে ছুঁয়ে বাবরকে চোখ রাঙাচ্ছেন ফারহান
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
হাসনাতের বিরুদ্ধে পয়েন্ট অব অর্ডার উত্থাপন করলেন পানিসম্পদ …
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬