মতিউর রহমান নিজামী ও দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী © টিডিসি সম্পাদিত
জাতীয় সংসদে উত্থাপিত প্রস্তাবে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই আন্দোলনসহ বেশকিছু শহিদের নামে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। এ সময় আরও কিছু নাম অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে আপত্তি জানায় বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। পরে তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তালিকায় আরও কয়েকটি নাম যুক্ত করা হয়।
বুধবার (১২ মার্চ) সংসদ অধিবেশনে জাতীয় সংসদের হুইপ নুরুল ইসলাম শোকপ্রস্তাবটি উপস্থাপন করেন। প্রাথমিক প্রস্তাবে মতিউর রহমান নিজামী ও দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
এ সময় এ বিষয়ে আপত্তি তোলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলের পক্ষ থেকে নেতা ও আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ আবু তাহের বক্তব্য দিয়ে বলেন, তালিকায় আরও কয়েকজনের নাম যুক্ত করা উচিত।
পরে আলোচনার পর শোকপ্রস্তাবের তালিকায় আরও কয়েকজনের নাম যুক্ত করা হয়। এর মধ্যে রয়েছেন আব্দুস সোবহান, আব্দুল কাদের মোল্লা, মীর কাসেম আলী, আলী আহসান মুজাহিদ, আব্দুল খালেক মণ্ডল, সুলতানা রাজিয়া ও অধ্যাপক নাজির আহমেদসহ আরও কয়েকজনের নাম। পরে সংশোধিত তালিকাটি সংসদে উপস্থাপন করা হয়।
এর আগে সংসদে শোকপ্রস্তাব আনা হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, পোপ ফ্রান্সিস, ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি। এ ছাড়া সাবেক রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরীসহ ৩১ জন সাবেক সংসদ সদস্যের প্রতি শোকপ্রস্তাব আনা হয়।
শোকের নাহিদ ইসলামের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে ইনকিলাব মঞ্চ আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি, বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ ও সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের শিকার কিশোরী ফেলানী খাতুনের নাম যুক্ত করা হয়।