জামায়াতের ভোট কত শতাংশ, জানালেন মির্জা ফখরুল

১৫ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:৪২ PM , আপডেট: ১৫ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:৪২ PM
বক্তব্য রাখছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বক্তব্য রাখছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর © সংগৃহীত ছবি

দেশে জামায়াতে ইসলামীর ভোটের হার শতকরা ৫ থেকে ৬ শতাংশ বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম। এই ভোট রাতারাতি ৫১% হয়ে যাবে না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। বলেছেন, দেশের মানুষ জামায়াতে ইসলামীকে বিশ্বাস করে না। আজ শনিবার (১৫ নভেম্বর) চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে পদ্মার ন্যায্য হিস্যার দাবিতে আয়োজিত এক গণসমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে জামায়াতের ভোটের হার জানতে চান বিএনপি মহাসচিব। এ সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ জানান, জামায়াতের ভোট ৫ শতাংশ। এর রেশ ধরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জামায়াতের উদ্দেশ্যে বলেন, ৫ থেকে ৬ শতাংশ ভোট, রাতারাতি লাফ দিয়ে ৫১% হয়ে যাবেন, এটা মনে করিয়েন না। বাংলাদেশের মানুষ আপনাদেরকে সহজে ভোট দিবে না। কারণ আপনাদেরকে তারা বিশ্বাস করে না।

তিনি বলেন, পাকিস্তান আন্দোলন করেছিল মুসলমানরা, পাকিস্তানের মুসলমান ভাইদের স্বার্থ রক্ষার জন্য। তখন আপনাদের নেতা মওদূদী সেটার বিরোধিতা করেছেন। ১৯৭১ সালে আমরা যে স্বাধীনতার যুদ্ধ করলাম পাকিস্তানিদের থেকে বের হয়ে আসার জন্য, তখন আপনারা শুধু বিরোধিতাই করেন নাই, ওই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে গণহত্যা করেছেন। এই কথা বলতে আমার কোন দ্বিধা হয় না, কারণ আমি যে মুক্তিযোদ্ধা। আমি এই দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছি। আজকে সোশ্যাল মিডিয়াতে উল্টাপাল্টা আবল-তাবল কথা বলে আমাদেরকে মাথা নোয়াতে পারবেন না।

নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই, প্রধান উপদেষ্টা যে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে, এই নির্বাচন হতে হবে ঠিক। এই নির্বাচনের কোন বিকল্প নাই। কারণ এই নির্বাচন যত দেরি হচ্ছে বাংলাদেশ তত দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। জনগণের সমর্থন ছাড়া কোন সরকার সফলতার সঙ্গে দেশ চালাতে পারে না।

জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, আমরা খুব পরিষ্কার করে বলছি আপনারা ভাল হয়ে যান। ভাল হয়ে যান। এই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুতি অনেক আগে থেকে শুরু করেছেন। কেন মানুষকে বোকা বানাচ্ছেন? আপনাদের যত বিলবোর্ড দেখলাম, আমি অন্য কোন দলের অত বড় বিলবোর্ড দেখলাম না। যত পোস্টার দেখলাম, অন্য কোন দলের তো এত পোস্টার দেখলাম না। তাহলে কেন মানুষকে বোকা বানাচ্ছেন? আপনারা তো নির্বাচন করবেন, নির্বাচন না করলে আপনাদের অস্তিত্ব থাকবে না। নির্বাচন করলে আপনারা যে উপাজিত করবেন, সেজন্য আপনার নির্বাচন পেছাতে চান, বন্ধ করতে চান।

গণসমাবেশে পদ্মা প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আজকে সমগ্র বাংলাদেশে এই আন্দোলনটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়। পদ্মা যদি মরে যায়, আমরাও তো মরব। শেখ মুজিবুর রহমান ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দিয়ে যান। স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে এই পদ্মার পানির হিস্যা নিয়ে ভারতের সঙ্গে একটা চুক্তি করেন প্রথমবারের মত। পরে হাসিনা একটা চুক্তি করে। ২০২৬ সালে এই চুক্তি শেষ হবে। আমরা জানি না এখন ভারত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, যে সরকার আসবে সেই সরকার যদি শক্তিশালী না হয়, জনগণের শক্তি নিয়ে যদি না দাঁড়াতে পারে, তাহলে এই পদ্মার পানিতে আমরা আরো ক্ষতিগ্রস্ত হব। এটা প্রমাণিত, একমাত্র জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি হচ্ছে সেই দল, যারা সরকার গঠন করলে বাংলাদেশের মানুষের হিস্যা পাওয়া যায়, অন্য কোন সময় পাওয়া যায় না।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে চায়না-বাংলাদেশ পার্টনারশিপ ফোরাম …
  • ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
শেরপুর সংঘর্ষে যুবদল নেতার মৃত্যুর তথ্য ফেসবুকে, লাইভে এসে …
  • ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
‘উনি ভারতীয় প্ল্যান নিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন’‒ কাকে উদ্দেশ্য ক…
  • ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
সারোয়ার তুষারের আসনে ব্যালট পেপারে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক না …
  • ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
স্বতন্ত্র প্রার্থীর ২ সমর্থককে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ ধানের শী…
  • ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
জামায়াত আমীরের সাথে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
  • ২৯ জানুয়ারি ২০২৬