সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন নাহিদ ইসলাম © টিডিসি ফটো
জাতীয় সংসদে জরুরি অধিবেশন ডেকে কোটার যৌক্তিক সমাধান করতে ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে। রবিবার (১৪ জুলাই) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান কোটা সংস্কারপন্থী শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাহিদ ইসলাম।
নাহিদ বলেন, আমরা আগামী ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করবো। আমাদের দাবি না মানা হলে আন্দোলন আরও কঠিন হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সেটা আমাদের দাবির প্রেক্ষিতে। আমাদের ১ দফা দাবিই বহাল থাকবে।
শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে করা মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের উপর অজ্ঞাতনামা মামলা দেওয়া হচ্ছে। এর আগে পুলিশকে আমরা ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছি; এবার আরও ২৪ ঘণ্টা সময় দিচ্ছি। যদি মামলা তুলে নেওয়া না হয় আমাদের কর্মসূচি আরও কঠোর হবে। পুলিশ কর্মকর্তাদের এর দায় নিতে হবে।
এর আগে, এদিন দুপুর ৩টার দিকে শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। সেখানে প্রতিনিধি দলে ছিলেন- আরিফ সোহেল, সারজিস আলম, নাহিদ ইসলাম, আব্দুল হান্নান মাসউদ, আসিফ মাহমুদ, রাশিদুল ইসলাম রিফাত, আব্দুল কাদের, মো. মাহিন সরকার, আশিক, হাসিব আল ইসলাম, সুমাইয়া জাহান ও মেহেরুন নেসা।
এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে বেলা ১১টার আগে থেকেই ছোট ছোট দলে জড়ো হতে শুরু করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। পরে দুপুর ১২টায় তারা কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে এ পদযাত্রা শুরু করেন। এতে ঢাকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যুক্ত হন।
এসময় মিছিলটি বঙ্গভবনের উদ্দেশে এগিয়ে যেতে থাকলে দুপুর ১টার দিকে শিক্ষা ভবনের সামনে তাদের আটকানোর জন্য ব্যারিকেড দেয় পুলিশ। পরে শিক্ষার্থীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যান।
এরপর গণপদযাত্রা নিয়ে শিক্ষা ভবন এলাকা অতিক্রম করে সচিবালয়ের কাছে পৌঁছালে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সচিবালয় গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়।