শনিবার ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

৩১ মে ২০২৪, ০৫:২২ PM , আপডেট: ০২ আগস্ট ২০২৫, ০৩:২৮ PM
শনিবার ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

শনিবার ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল © সংগৃহীত

আগামীকাল শনিবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। এদিন দেশের ৬-৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে বিনামূল্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) রাজধানীর মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

এ সময় শিশুদের ভরাপেটে কেন্দ্রে আনার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলের কিছু এলাকায় পরে এই কর্মসূচি পালিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৬-১১ মাস বয়সী প্রায় ২৭ লাখ শিশুকে নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী প্রায় এক কোটি ৯৫ লাখ শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্রে ২ লাখ ৪০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী ও ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীর এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর কাজে সেবা দেয়ার কথা ছিল। তবে ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে উপকূলে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় এক হাজার ২২৪টি কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। এসব কেন্দ্রে পরবর্তী সময়ে এ কর্মসূচি পালন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, ‘আমরা বছরে দুইবার ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন করে থাকি। আগামী শনিবার (১ জুন) আমরা এ কর্মসূচি হাতে নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দু’রকমের ক্যাপসুল খাইয়ে থাকি। ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রঙের এবং ১২-৫৯ বয়সী শিশুদের লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তবে শিশুদের এটি খালি পেটে খাওয়ানো যাবে না। ক্যাপসুলটি কেটে চিপে শিশুর মুখে দিতে হবে। তবে শিশু বেশি কান্নাকাটি করলে কিংবা তার শ্বাসকষ্ট হলে খাওয়ানো যাবে না।’

খুরশীদ আলম বলেন, ‘ইতোমধ্যে উপকূলীয় জেলাগুলোতে ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতের কারণে অনেক কাজ ব্যাহত হয়েছে। সে সমস্ত জায়গাগুলোতে স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় তারা পারলে সারাদেশের সাথে করবেন। তবে সম্ভব না হলে অথবা যখন পারবেন তখন করবেন তারা। এছাড়া সিলেটের বেশ কিছু জায়গাও বন্যাকবলিত। এ কারণে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বেশ কিছু এলাকা হয়ত এখনই এই কর্মসূচির আওতায় নাও আসতে পারে। এর বাইরে সারাদেশে সমস্ত জায়গায় এটা চলবে।’

ভিটামিন এ ক্যাপসুলের উপকারিতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভিটামিন এ খাওয়ালে শিশুর পুষ্টি বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাড়ে। এছাড়া, রাতকানা রোগ, কো-মরবিডিটি এবং মৃত্যুহার হ্রাস করা যায়। পাশাপাশি হাম, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার মতো রোগ কমাতেও সাহায্য করে ভিটামিন এ।

ট্যাগ: জাতীয়
নভেম্বরে তুরস্কে যাবেন প্রধানমন্ত্রী
  • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
যে পাঁচ সময়ে আপনার শিশুকে কখনোই বকাঝকা করবেন না
  • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
মাঝআকাশে খুলে গেল ভারতীয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের দরজা, ঢাকায় জ…
  • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
রাতভর নাটক, সকালে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ইশরাক
  • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের গাড়িতে মুহুর্মুহু গুলি
  • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আজ
  • ১৯ অক্টোবর ২০২৬