© সংগৃহীত
গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, ‘এখন তো পাবলিক পরীক্ষা নেই বললেই চলে। উঠিয়েই তো দেওয়া হয়েছে। পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির যে পরীক্ষা হতো, আমি এটার পক্ষে। এখনো পক্ষে। সরকার বা যাঁরা বড় বড় শিক্ষাবিদ আছেন, তাঁরা কেন এই পরীক্ষা উঠিয়ে দিয়েছেন, আমি জানি না। উঠিয়ে দেওয়ার অন্যতম কারণ হলো, এই বড় বড় শিক্ষাবিদের সংকীর্ণ মানসিকতা।’
শনিবার দুপুরে চিনাইর শিশু মেধাবৃত্তি ফাউন্ডেশন আয়োজিত ১৯তম শিশু মেধাবৃত্তি প্রদান ও শিশু মেলায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। এই ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার চিনাইর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব (অনার্স) কলেজে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা, এই মেধাবৃত্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে আগামী দিনে নতুন প্রজন্ম মেধাদীপ্ত হয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে উঠবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘মেধাবৃত্তি পরীক্ষার মাধ্যমে আমরা পরীক্ষা পদ্ধতির একটি মানদণ্ড দাঁড় করিয়েছি। এখানে কাউকে বলতে হয় না, তোমরা কেউ নকল করবা না। এমনিতেই তারা নকল করে না। এখানে ছোট যে শিশু ক্লাস ওয়ানে পড়ে, সে এসে পাবলিক পরীক্ষার মতো পরীক্ষা দিচ্ছে। একটি আনন্দঘন পরিবেশ রাখা সম্ভব হয়েছে। শিক্ষাকে আমরা ভীতিকর কোনো প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলিনি। শিক্ষা মানে আনন্দ, ফুর্তি। এর মধ্য দিয়ে শিক্ষা গ্রহণ করা। আনন্দঘন পরিবেশে পরীক্ষা দিয়ে শিশুদের মন থেকে পরীক্ষাভীতি দূর হচ্ছে।’
মেধাবৃত্তি প্রদান ও শিশু মেলা অনুষ্ঠানে চিনাইর মেধাবৃত্তি ফাউন্ডেশনের সভাপতি, ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কোষাধ্যক্ষ ফাহিমা খাতুন সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোছাইন।