ঢাকায় শিশু নির্যাতনের ৭৬ শতাংশ ঘটনাই যৌন নিপীড়ন

০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৪:৪৯ PM , আপডেট: ১০ আগস্ট ২০২৫, ১১:৩১ AM
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ © ফাইল ছবি

ঢাকায় যত শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে তার মধ্যে প্রায় ৭৬ শতাংশই যৌন নির্যাতন। ভুক্তভোগীদের মধ্যে বেশিরভাগ শিশুর বয়স ১৪ থেকে ১৬ বছর। এদের একটি বড় অংশ যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার পরও নানান কারণে পুলিশের সহায়তা চায় না।

শিশু যৌন নির্যাতন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে দায়েরকৃত মামলার ওপর একটি গবেষণা শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণাটির জন্য ঢাকার অনূর্ধ্ব ১৮ বছর বয়সী স্কুল ও কলেজের ১০০ শিক্ষার্থী এবং ৫০ পথশিশুর ওপর জরিপ চালিয়েছে ডিএমপি। একইসঙ্গে ২৫টি মামলার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা হয়েছে।

গবেষণায় বলা হয়, জরিপে অংশ নেওয়া শিশুদের ৯০ জন অর্থাৎ ৬০ শতাংশ শিশু কোনো না কোনো নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাদের মধ্যে ২১ শতাংশ মানসিক, ৩ শতাংশ শারীরিক এবং ৭৬ শতাংশ যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। নির্যাতনের শিকার এসব শিশুরা পরে খাবারে অরুচি, নিদ্রাহীনতা, স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে না পারা, হতাশা, দুশ্চিন্তা, লজ্জা ও ভয়ের মতো মানসিক সমস্যায় ভোগে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগের গত চার বছরের (২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের সেপ্টম্বর) মামলা থেকে নির্যাতনের ২৫টি ঘটনার অভিযোগপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ঢাকা শহরে ১৪ থেকে ১৬ বছরের শিশুরা সবচেয়ে বেশি যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এই হার ৫৩ শতাংশের বেশি।

৩৯ শতাংশ শিশু অপরিচিত ব্যক্তির হাতে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। অনেকে আবার পরিচিতজনদের মাধ্যমেও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। প্রায় ১২ শতাংশ শিশু চাচা–মামার মাধ্যমে, ৬ শতাংশ চাচাতো–মামাতো ভাইয়ের মাধ্যমে, ৯ শতাংশ দূরসম্পর্কের আত্মীয়ের মাধ্যমে এবং ৪ শতাংশের বেশি শিশু বন্ধুর মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এ ছাড়া যৌন নির্যাতনের শিকার শিশুদের মাত্র ৩৪ শতাংশ থানায় গেছে। বাকি ৬৬ শতাংশ পুলিশের সহায়তা চায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

জরিপে অংশ নেওয়া বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সাক্ষীর অভাব, অপর্যাপ্ত প্রমাণ, মেডিকেল প্রতিবেদন তৈরিতে দেরি ধর্ষণ মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়ায়। বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের দুর্নীতিও ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে বিরাট বাধা।

গবেষণায় নেতৃত্ব দেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান ও পুলিশবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুহাম্মদ উমর ফারুক।

তিনি বলেন, শিশু নির্যাতন পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। অনুকূল পরিবেশে পরিপূর্ণ সম্ভাবনা নিয়ে একটি শিশুর বেড়ে ওঠা ও বেঁচে থাকার সুযোগ সমাজ ও রাষ্ট্রকে দিতে হবে। পারিবারিকমণ্ডলে শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শিশু কার সঙ্গে মেশে ও চাকরিজীবী মা–বাবারা কার কাছে সন্তান রেখে যান, সেদিকে নজর দিতে হবে। শিশুর সঙ্গে মা–বাবার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে হবে, যাতে তারা যেকোনো বিষয়ে কথা বলতে সংকোচবোধ না করে।

দ্বৈত নাগরিকত্ব জটিলতায় সুখবর পেলেন ২০ প্রার্থী, কোন দলের ক…
  • ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
বিভাগের শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নির্বাচিত হলেন রাজব…
  • ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
১০ দলের ৪৭ আসন ভাগ কবে, কীভাবে—নির্বাচনী ইশতেহার কেমন হবে?
  • ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রতিষ্ঠার ১৫বছর পরেও প্রো-ভিসি, ট্রেজারার পায়নি বুটেক্স; আ…
  • ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
মাদকের আখড়ায় নৌবাহিনীর অভিযান, আটক ৩
  • ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
৪৬তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ চলতি মাসেই
  • ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9