প্রতীকী ছবি © ফাইল ফটো
জালিয়াতির মাধ্যমে ১০ শিক্ষক-কর্মচারীর নাম এমপিওভুক্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সিস্টেম অ্যানালিস্ট আবুল ফজল মো. বেলালকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে বেলালের সহযোগী দক্ষিণ জয়নগর হোসাইনিয়া ফাজিল মাদরাসার সহকারী গ্রন্থাগারিক মো. জসিম উদ্দিনকে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৩১ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত ছয়জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।
খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন- আড়পাড়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (কৃষি) মো. সোহেল রানা, এবতেদায়ি প্রধান মো. হাবিবুর রহমান, এবতেদায়ি ক্বারী শেখ আনোয়ার হোসেন, বাঁশগ্রাম ফাজিল মাদরাসার এমএলএসএস আজিবর রহমান, লক্ষ্মীপুর কেইউ ফাজিল মাদরাসার প্রভাষক (পদার্থ) মো. শফিকুল ইসলাম, ইউএমসি দারুসসুন্নাহ দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) এম.ডি. রাশিদুল হক।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামিরা কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে মাদরাসা শাখার কোনো কর্মকর্তার এমপিও কারেকশন সিটে যাচাই করা স্বাক্ষর ছাড়াই বা উপ-পরিচালক অর্থ ও প্রশাসনের স্বাক্ষর ছাড়াই বিতর্কিত ১০ জন শিক্ষক-কর্মচারীর নামসহ এমপিওর চূড়ান্ত সিট প্রিন্ট আউট করেন এবং এমপিও দেন। পরবর্তীতে বিতর্কিত ১০ জন শিক্ষক-কর্মচারীর নামে ২০১৩ সালের মে ও জুন বেতন/ভাতা উত্তোলন করে সরকারের ১ লাখ ৯৪ হাজার ২২০ টাকা ক্ষতি সাধন করেন। এ অভিযোগে দুদকের দুদকের উপ-পরিচালক আবদুস সাত্তার সরকার রাজধানীর শাহবাগ থানায় ২০১৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ১ আগস্ট এ মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন দুদক উপ-পরিচালক হেলাল উদ্দিন শরীফ।