ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগের ১০ নির্দেশনা

১১ মে ২০২৩, ০৯:৪০ AM , আপডেট: ২০ আগস্ট ২০২৫, ১০:৪৮ AM
ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’

ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ © সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত গভীর নিম্নচাপটি ভোর ৬টার দিকে ঘূর্ণিঝড় মোখায় রূপ নিয়েছে। এটি কক্সবাজার থেকে ১২২০, পায়রা থেকে ১২২৫, মোংলা থেকে ১২৬৫ ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৯৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে রবিবার ভোরের মধ্যে উপকূলে আঘাত হানতে পারে ‘মোখা’। এটি সুপার সাইক্লোনেও রূপ নিতে পারে। বর্তমানে এর সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার। আবহাওয়া অধিদফতর ৪ সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে। একই সঙ্গে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বলা হয়েছে।

এরই মধ্যে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এবং সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়াসহ ১০ দফা নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। বুধবার (১০ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক ডা. মো. মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা জানানো হয়েছে।

এতে পর্যাপ্ত মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা, খাবার স্যালাইনসহ জরুরি প্রতিরোধ ও প্রতিষেধক ওষুধ, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং সাপে কামড় দেওয়া রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক অ্যান্টিভেনম মজুত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ যেকোনো সময় উপকূলীয় অঞ্চল অতিক্রম করতে পারে। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এবং নিম্নোক্ত সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হলো।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’

১. জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে পর্যাপ্ত মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখতে হবে।

২. খাবার স্যালাইনসহ জরুরি প্রতিরোধ ও প্রতিষেধক ওষুধ ও উপকরণ উপকূলবর্তী জেলায় পর্যাপ্ত মজুত রাখতে হবে।

৩. প্রয়োজনীয় সংখ্যক পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং সাপে কাপড় দেওয়া রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক অ্যান্টিভেনম মজুত রাখতে হবে।

৪. উপকূলবর্তী এলাকায় মাঠ কর্মীদের (স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, স্বাস্থ্য সহকারীসহ অন্যান্য) মাধ্যমে উপদ্রুত অঞ্চলে নিয়মিত পরিদর্শন এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

৫. কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

৬. যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনে কর্মকর্তা/কর্মচারীর নৈমিত্তিক ছুটি বাতিলসহ প্রতিষ্ঠান প্রধান ও চিকিৎসকদের কর্মস্থলে অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।

৭. স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর অ্যাম্বুলেন্সগুলো প্রয়োজনীয় জ্বালানিসহ প্রস্তুত রাখতে হবে।

৮. যেসব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স সচল আছে, সেসব ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স মেডিকেল টিম এবং প্রয়োজনীয় জ্বালানিসহ প্রস্তুত রাখতে হবে।

৯. নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রাখতে হবে।

১০. সর্বোপরি সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সতর্কতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা যেতে পারে।

শাবিপ্রবিতে ছাত্রীসংস্থার উদ্যােগে পাঁচ শতাধিক হিজাব বিতরণ
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চার উদ্দেশ্যে জাতীয় শিক্ষা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করবে সরকার 
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৪৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগে দুই দলের ‘ভাগাভাগি’, মানদ…
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শবে বরাত উপলক্ষে তারেক রহমানের বার্তা
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রেজাউল হত্যায় ৪০ জনের আগাম জামিন, উচ্চ আদালতে যাচ্ছে জামায়াত
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬