বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দল © সংগৃহীত
বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দলকে নিয়ে একটি অধ্যায় পড়ানো হয় একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর ইংরেজি পাঠ্যবইতে। এনসিটিবি'র সিদ্ধান্তে এই অধ্যায়টি পাঠ্যসূচীতে যুক্ত করা হয়। সম্প্রতি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথমবার শিরোপা জয় করেছে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দল। তারপর থেকে বাংলার বাঘিনীদের আলোচনা যেন থামছেই না। তবে অনেকেই হয়তো জানেনা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সিদ্ধান্তে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর ইংরেজি পাঠ্যবইতে পড়ানো হয় তাদের কথা।
'ইউথফুল এচিভার্স' ইউনিটে 'দ্য আন বিটেবল গার্লস' বা 'অপ্রতিরোধ্য মেয়েরা' শিরোনামের একটি অধ্যায় রয়েছে। ২০২২ সালে এনসিটিবি এই অধ্যায়টি যুক্ত করেছে। অধ্যায়ের শুরুতে আলোচনা করা হয়েছে কিভাবে খেলাধুলা কিংবা অন্যান্য ক্ষেত্রে আমাদের সমাজে নারী-পুরুষের লিঙ্গ বৈষম্য করা হয়ে থাকে। বিষয়টি কত অন্যায্য তা উল্লেখ করে বলা হয়েছে কিভাবে আমাদের মেয়েরা সমাজের এই গোঁড়া ধারণাকে প্রতিনিয়ত ভুল প্রমাণ করছে।
আরও পড়ুনঃ সাফ নারী ফুটবলে সাবিনার গোল্ডেন বুট জয়
এরপর আলোচনা করা হয়েছে বাংলাদেশ মহিলা ফুটবল দলের অদম্য কিছু খেলোয়াড়ের কঠোর সংগ্রামের মধ্যেও তাদের যাত্রা অব্যাহত রাখার কথা। বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের অতীত অর্জনের ইতিহাসও উল্লেখ করা হয়েছে সেখানে। ময়মনসিংহের কলসিন্দুর গ্রামে কথাও উঠে এসেছে এ অধ্যায়ে, বেশ কয়েকজন স্বনামধন্য নারী ফুটবলার এই গ্রামেরই বাসিন্দা।
এনসিটিবি'র পাঠ্যসূচীতে এমন একটি সময়োপযোগী বিষয় অন্তর্ভুক্ত করাকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন অনেকেই। শুধু খেলাধুলা নয়, কোন কাজের ক্ষেত্রেই লিঙ্গ বৈষম্য থাকা উচিত নয়, এই বার্তা আরও বেশি প্রচার করা জরুরী। এনসিটিবি এরকম সময়োপযোগী বিষয় সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করার প্রচলন বজায় রাখবে রাখা অনেকের।