ছয় মাসে তিন শিশু কোরআনের হাফেজ

৩০ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:১২ AM

© সংগৃহীত

সৃষ্টি জগতের নানা রহস্য, উচ্চতর জ্ঞান-প্রজ্ঞা ও নৈতিক জীবন গড়ার শিক্ষাসহ অশেষ জ্ঞান-বিজ্ঞানে ভরপুর পবিত্র কোরআন মাজিদ। বিশ্বজনীন এই গ্রন্থের উপকারিতা এবং উপযোগিতা সব যুগে এবং সব স্থানে একইভাবে কার্যকর।

পবিত্র কোরআন মাজিদের অসংখ্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এর অন্যতম হলো কোনো কোনো বক্তব্য ও ঘটনার পুনরাবৃত্তি। এসব পুনরাবৃত্তি সৃষ্টিশীল ও নতুনত্বে ভরপুর হওয়ায় অত্যন্ত মনোজ্ঞ এবং আকর্ষণীয়।

যারা এই কোরআন মাজিদ মুখস্থ করেন তাদের হাফেজ বা হাফেজে কোরআন বলা হয়। কোরআন শুধু সর্বাধিক পঠিত গ্রন্থই নয় বরং মুখস্থকরণের দিক থেকেও কোরআন রয়েছে বিশ্বে শীর্ষে। কোরআন যত মানুষ মুখস্থ করেছেন পৃথিবীর আর কোনো গ্রন্থ মুখস্থ করেনি কেউ। পৃথিবীতে প্রায় এক কোটি হাফেজে কোরআন রয়েছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ঝালকাঠির এক শিশু মাত্র ছয় মাসে পুরো কোরআন মুখস্থ করে সবাইকে চমকে দিয়েছে। শিশুটির নাম মো. বায়েজিত। ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার দারুল উলুম কওমিয়া মাদরাসার ছাত্র বায়েজিত। মাত্র ছয় মাসে কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হয়েছে সে। পুরো কোরআন মুখস্থের আগে দেড় বছর সময় নিয়ে দেখে দেখে তিলাওয়াত করা শিখে বায়েজিত। পরে মাত্র ছয় মাসে পুরো কোরআন মুখস্থ করে ১০ বছর বয়সী এই শিশু।

বায়েজিতের শিক্ষক ক্বারি মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, বায়েজিত নাজেরা পড়া শেষ করে শুরুর দিকে দুই পৃষ্ঠা করে কোরআন মুখস্থ করত। পরে ৭-৮ পৃষ্ঠা করে মুখস্থ শুরু করে সে। এভাবে ছয় মাসে পুরো কোরআন মুখস্থ করে ফেলে বায়েজিত। এখন সকালে আধা পারা, বিকেলে আধা পারা করে মোট এক পারা কোরআন আমাকে মুখস্থ পড়ে শুনায় সে।

বায়েজিতের বাবা মো. সাইদুল ইসলাম ঝালকাঠি পৌরসভার সহকারী কর নির্ধারক এবং মা শিরীন সুলতানা গৃহিণী। বিস্ময় সৃষ্টিকারী কোরআনের হাফেজ বায়েজিতের বাড়ি ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার আলগি গ্রামে।

এদিকে, দেড় বছরে কোরআন হাফেজ হয়েছেন একই উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া গ্রামের নুরুল ইসলামিয়া দিনিয়া হাফেজি মাদরাসার ছাত্র মো. জোবায়ের খান মোত্তাকিন। উপজেলার শেখেরহাট ইউনিয়নের রাজপাশা গ্রামের কৃষক জামাল উদ্দিন খানের ছেলে মোত্তাকিন। তার মা মরিয়ম বেগম গৃহিণী।

ঠিক মোত্তাকিনের মতোই দেড় বছরে কোরআন হাফেজ হয়েছেন মো. ওমর ফারুক হাওলাদার। রাজাপুরের মনোহরপুর গ্রামের মো. শফিকুল ইসলামের ছেলে ফারুক। তার মা মাহমুদা বেগম গৃহিণী।

নুরুল ইসলামিয়া দিনিয়া হাফেজি মাদরাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, জোবায়ের খান মোত্তাকিন ২০১৮ সালের জুলাই মাসে ভর্তি হয়ে নাজেরা থেকে ছবক শুরু করে চলতি বছরের ২৫ নভেম্বর হাফেজ হয়। একইভাবে মো. ওমর ফারুক হাওলাদার ২০১৮ সালের মে মাসে ভর্তি হয়ে নাজেরা থেকে ছবক শুরু করে চলতি বছরের ২৫ নভেম্বর হাফেজ হয়েছে। তাদের জন্য মাদরাসা থেকে দোয়া করানো হয়েছে। কুরআনের হাফেজদের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি আমরা।

ভুটানের বিপক্ষে একাদশে ৩ পরিবর্তন, স্ট্রাইকারের ভূমিকায় ‘চম…
  • ০৫ নভেম্বর ২০২৬
এনএসইউতে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের মধ্যে সংযোগ স্থাপনে …
  • ০৫ নভেম্বর ২০২৬
রোনালদোর বিদায়ে বোনের আবেগঘন বার্তা, রহস্যময় মন্তব্যে বাড…
  • ০৫ নভেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬-এ ড্যাফোডিল শিক্ষার্থীদের ১৬…
  • ০৫ নভেম্বর ২০২৬
পাকিস্তানকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শুভসূচনা ভারতের
  • ০৫ নভেম্বর ২০২৬
জামায়াতের সঙ্গে জোট ও কাউন্সিল ছাড়া কমিটিসহ যে ৪ কারণে এনসি…
  • ০৫ নভেম্বর ২০২৬
×
NORTH SOUTH
UNIVERSITY Center of Excellence
UNDERGRADUATE
ADMISSION
SPRING 2027
APPLY NOW
APPLICATION DEADLINE
NOVEMBER 22, 2026
ADMISSION TEST
NOVEMBER 28, 2026
WORLD RANKINGS 2027#801-1000
WORLD RANKINGS 2027#901-950