মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর © টিডিসি সম্পাদিত
জাল এনটিআরসিএ সনদ ব্যবহার করে বছরের পর বছর চাকরি ও সরকারি বেতন-ভাতা নেওয়ার অভিযোগে মাদ্রাসার এক প্রভাষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তার এমপিও ইনডেক্স কর্তন এবং উত্তোলিত সব বেতন-ভাতা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি ফৌজদারি মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত শিক্ষক হলেন রংপুর জেলার গংগাচড়া উপজেলার বেতগাড়ী একরামিয়া বহুমুখী ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষক মো. কারিমুল ইসলাম প্রামাণিক।
সোমবার (৩১ আগস্ট) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এনটিআরসিএর প্রতিবেদন অনুযায়ী রংপুর জেলার গংগাচড়া উপজেলাধীন বেতগাড়ী একরামিয়া বহুমূখী ফাযিল মাদ্রাসার প্রভাষক মো. কারিমুল ইসলাম প্রমাণিক (ইনডেক্স নং : M0039689) ২০১২ সালের ৮ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ৪২৯১4319 রোল নম্বরধারী MD QURIMUL ISLAM PRAMANIK, পিতা: MD. ANSAR ALI PRAMANIK, মাতা: MOST. MOHSENA BEGUM - এর দাখিলকৃত শিক্ষক নিবন্ধন সনদ/প্রত্যয়নপত্রে মুদ্রিত নাম, পিতা ও মাতার নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা এবং প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে এনটিআরসিএ-তে সংরক্ষিত ফলাফলের তথ্যের মিল পাওয়া যায়নি। ফলে এনটিআরসিএ কর্তৃক দাখিলকৃত প্রত্যয়নপত্রটি সঠিক নয় এবং তা জাল ও ভুয়া মর্মে অবহিত করেন।
এতে আরও বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত) এর ১৮.১ (গ) এবং (ঙ) অনুযায়ী এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটির সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে প্রভাষক মো. কারিমুল ইসলাম প্রমাণিক (ইনডেক্স নং: M0039689) এর এমপিওশীট হতে ইনডেক্স কর্তন করা হলো। একসঙ্গে উত্তোলিত বেতন-ভাতা সমুদয় অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা দায়েরপূর্বক এ অধিদপ্তরে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
