অধিদপ্তরের চিঠি-স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগ বোর্ড ও ফলাফল শিট তৈরি করলেন মাদ্রাসা সুপার

২০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫৯ PM
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর © সংগৃহীত

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের প্রতিনিধির চিঠি ও স্বাক্ষর জাল করে তা ব্যবহার, ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন এবং ফলাফল শীট প্রস্তুত করে নতুন এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করায় এক মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে ইনডেস্ক কর্তনসহ তার বেতন-ভাতা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। 

সম্প্রতি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অর্থ) মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদার সই করা এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা গেছে, কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলাধীন এম এইচ বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. মাহফুজার রহমান খন্দকার মো. সিরাজুল ইসলামকে অফিস সহায়ক পদে নতুন এমপিওভুক্তির জন্য জুন-২০২৬ মাসে মেমিস সিস্টেমে আবেদন করেন। 

পরে আবেদনটি পর্যালোচনায় দেখা যায়, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের প্রতিনিধির চিঠি ও স্বাক্ষর জাল করে তা ব্যবহার, ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন এবং ফলাফল শীট প্রস্তুত করে নতুন এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন প্রেরণ করা হয়েছে। সে প্রেক্ষিতে তার জুন মাসের বেতন-ভাতা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। কেন স্থায়ীভাবে বেতন-ভাতা বন্ধ করা হবে না, সে বিষয়ে একটি কারণ দর্শানোর নোটিশও প্রদান করা হয়। একইসঙ্গে মো: সিরাজুল ইসলামের নতুন এমপিওভুক্তির আবেদনটি বাতিল করা হয়।

আরও পড়ুন: অর্থ আত্মসাৎ-নথি গায়েব করে দুই বছর ধরে উধাও মাদ্রাসা শিক্ষক

এ ছাড়াও আগস্ট মাসে একই প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে মীম আক্তারের জন্য মেমিস সিস্টেমে আবেদন করেন মাদ্রাসাটির সুপার। পরে এমপিওভুক্তির আবেদনটি মাদ্রাসা অধিদপ্তর যাচাই-বাছাই করে। এতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধির চিঠি ও স্বাক্ষর জাল প্রমাণিত হয়, নিয়োগ বোর্ড গঠন এবং ফলাফল শীট প্রস্তুতের বিষয়টি ভুয়া প্রমাণিত হয়। পরে মীম আক্তারকে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে নতুন এমপিওভুক্তির আবেদনটি বাতিল করা হয়

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মহাপরিচালকের প্রতিনিধির চিঠি ও স্বাক্ষর জাল করে তা ব্যবহার, ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন এবং ফলাফল শীট প্রস্তুত করে অবৈধভাবে নতুন এমপিওভুক্তির আবেদন প্রেরণের অভিযোগে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬-এর ১৮.১ (গ) ও (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মো: মাহফুজার রহমান খন্দকারের বেতন-ভাতা (এমপিও) কেন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না, সে বিষয়ে সন্তোষজনক লিখিত জবাব ৩ কর্মদিবসের মধ্যে দিতে বলা হয়।

পরে আজ বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরে তিনি উপস্থিত হয়ে একটি প্রতিবেদন জমা দেন। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এম এইচ বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. মাহফুজার রহমান খন্দকার আজ অধিদপ্তরে এসে লিখিত জবাব দিয়েছেন। তার বিষয়টি পর্যালোচনা করে মহাপরিচালক ব্যবস্থা নেবেন।

মুরগি চুরির অপবাদে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন, মামলায় গ্রেপ…
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে আটকে যাবে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদ…
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
বিএনপির মহাসচিব হলেন রুহুল কবির রিজভী
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
হচ্ছে না বিপিএল, ভিন্ন পরিকল্পনা তামিমের বোর্ডের
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান থেকে বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুল
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন জানুয়ারিতে
  • ২০ আগস্ট ২০২৬