চলতি বছরের শেষের দিকেই বিয়ে করার কথা ছিল সুশান্ত সিংহ রাজপুতের। সেই জন্য নাকি শুরু হয়েছিল ঘর খোঁজাও, সুশান্তের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে এমনটাই। সুশান্তের তুতো ভাই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সে পরিকল্পনা মতো বাড়িতে চলছিল প্রস্তুতিও। সব ঠিক থাকলে সামনের অক্টোবরেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতেন অভিনেতা।
পাত্রী? সুশান্তের ভাই তা নিয়ে মুখে কুলুপ আটলেও মুম্বইয়ের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের দাবি পাত্রী বাঙালি মেয়ে রিয়া চক্রবর্তী। সুশান্তের জীবনে শেষ ভালবাসা হয়ে এসেছিলেন যিনি। শোনা যাচ্ছে, এক প্রপার্টি ডিলারের কাছে একসঙ্গে থাকার জায়গাও খুঁজছিলেন তাঁরা।
ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন, বান্দ্রায় থাকার জন্য রিয়া নাকি তাঁকে একটি ফ্ল্যাট দেখে দিতে বলেছিলেন। বলেছিলেন, সুশান্ত এবং তিনি থাকবেন। এও জানিয়েছিলেন খুব শিগগিরই বিয়ে করবেন তাঁরা। যদিও রিয়া এ নিয়ে মুখ খোলেননি। শোনা যাচ্ছে, সুশান্তের মৃত্যুর বেশ কিছু দিন আগে থেকেই তাঁদের সম্পর্কে ভাঙন ধরতে শুরু করেছিল।
চিত্রনাট্যকার সুহৃতা সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, নিজের আশপাশে ছায়ামূর্তি দেখা, খুন হয়ে যাওয়ার ভয় ক্রমশ ছেয়ে ফেলছিল সুশান্তকে। সুশান্তের এই ভয়ের সঙ্গে পাল্লা দিতে না পেরেই নাকি আলাদা হয়ে যান রিয়া। রিয়ার ‘মেন্টর’ মহেশ ভাট এমনটাই উপদেশ দিয়েছিলেন তাঁকে। বলেছিলেন সুশান্তের সঙ্গে থাকলে রিয়াও অবসাগ্রস্ত হয়ে পড়বেন।
যদিও মৃত্যুর আগের রাতে রিয়াকেই ফোন করেছিলেন সুশান্ত। সে ফোন তোলেননি রিয়া। রবিবারের সকাল। নিয়মমাফিক বেদানার রস খেয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেন পর্দার ধোনি। তার পরের ঘটনা সবারই জানা। বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ ঘর থেকেই উদ্ধার করা হয় সুশান্ত সিংহ রাজপুতের নিথর দেহ। খবর: আনন্দবাজার।