ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিব © সংগৃহীত
গান গেয়ে ‘ভাইরাল’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তাশরিক-ই-হাবিবের করা রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
রুলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী নিগার সুলতানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জসিদুল ইসলাম জনি ও শিহাব উদ্দিন খান। শিহাব উদ্দিন খান বলেন, ‘অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিবকে সাময়িক বরখাস্ত-সংক্রান্ত গত ২৪ জুনের চিঠি কেন অবৈধ হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গান গেয়ে আলোচনায় আসার পর গত ২৪ জুন অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। কারণ হিসেবে ‘আর্থিক অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা মেলার’ কথা জানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বরখাস্ত হওয়ার আগের কয়েক মাস অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন জনপ্রিয় গান পরিবেশন করে আলোচনায় ছিলেন। তিনি শাহ আবদুল করিম, জেমস ও ফজলুর রহমান বাবুর গান গেয়ে ফেসবুকে অনেকের নজরে আসেন।
অনেক শ্রোতা তাঁর গান শেয়ার করে প্রশংসা করেন। তবে ‘ভিন্নধর্মী সুরে’ গান পরিবেশনের কারণে অনেকে তাঁকে নিয়ে ট্রলও করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক হিসেবে এ ধরনের বিষয়বস্তু তৈরি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের একাংশের মধ্যেও তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়।