উপপরিদর্শক (এসআই) শিমুল চন্দ্র দাসকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে © সংগৃহীত
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করায় আনোয়ারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শিমুল চন্দ্র দাসকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১টার দিকে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পুরস্কারপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের হাতে এই সনদপত্র ও আর্থিক সম্মানী তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাহসিকতা ও জনহিতকর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রামের চারটি বিশেষ ঘটনায় জেলা পুলিশের চারজন সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন, চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল, উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু সেলিম রেজা, কনস্টেবল রিমন এবং আনোয়ারা থানার এসআই (নিঃ) শিমুল চন্দ্র দাস।
গত ১৩ জুন (শনিবার) আলোচিত মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডের পর দ্রুত তদন্ত পরিচালনা করে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযানে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি এবং ভুক্তভোগীদের লুণ্ঠিত মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়। ক্লুলেস এই মামলার দ্রুততম রহস্য উদ্ঘাটন ও সফল অভিযানের স্বীকৃতি হিসেবেই এসআই শিমুল চন্দ্র দাসকে এই সম্মাননা দেওয়া হলো।
এই অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, 'আনোয়ারা থানার একজন কর্মকর্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত হওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। এই অর্জন শুধু আনোয়ারা থানা পুলিশের নয়, পুরো আনোয়ারা উপজেলার মানুষের। স্থানীয় বাসিন্দারা আমাদের সার্বিক সহযোগিতা না করলে এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হতো না।'
অপরাধ দমনে কোনো আপোষ করা হবে না উল্লেখ করে ওসি আরও বলেন, 'এলাকায় অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। মাদকবিরোধী অভিযানসহ সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আমাদের কঠোর কার্যক্রম আগের মতোই অব্যাহত থাকবে।'