বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার শর্টকাট কোনো টেকনিক নেই

২৫ জুলাই ২০২৫, ০৬:২৪ PM , আপডেট: ২৬ জুলাই ২০২৫, ১১:৫৪ AM
ভর্তি পরীক্ষা দিচ্ছেন ভর্তিচ্ছুরা

ভর্তি পরীক্ষা দিচ্ছেন ভর্তিচ্ছুরা © টিডিসি

উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়াকে বলা হয়ে থাকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের স্বপ্নের আঙিনা। উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করতে কে না চায়! তাইতো উচ্চমাধ্যমিক শেষ করা লাখ লাখ শিক্ষার্থী এই স্বপ্নকে জয় করার লক্ষ্যে দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। স্বপ্ন জয় করার অবিরাম প্রচেষ্টায় ঘুমকে নির্ঘুম করায় মগ্ন। বছর ঘুরে আবারো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দরজায় কড়া নাড়বে সামনে। অনেকের প্রস্তুতি খুবই ভালো। অনেকে সিলেবাস সম্পূর্ণ কীভাবে করবেন তা নিয়ে পড়াশোনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন, আবার অনেকে কীভাবে পড়াশোনা করলে প্রস্তুতি শতভাগ হবে সেটা নিয়ে দ্বিধায় রয়েছেন।

কিছু দিকনির্দেশনা নিলে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া সহজ এবং মনোবল বৃদ্ধি করে দেয়। ভর্তি পরীক্ষা সম্পর্কিত তেমন কিছু দিকনির্দেশনা ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তুলে ধরা হলো। পরামর্শ দিয়েছেন ঢাবির একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের শিক্ষার্থী বাবলু। সাক্ষাৎকারটি পুনরায় প্রকাশ করা হলো—

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিযুদ্ধ পার হতে আপনা পড়াশোনার ধরণ কেমন ছিল?
বাবলু: বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা এবং এইচএসসির পড়াশোনা এক না। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তুতির সিলেবাস খানিকটা ভিন্ন থাকে, সেখানকার প্রশ্নপদ্ধতিও ভিন্ন এবং এর প্রস্তুতির জন্য সময়ও খুব অল্প পাওয়া যায়। অতএব, এখানে গতানুগতিকতার বাইরে বেরিয়ে আরও স্মার্ট ও স্ট্র্যাটেজিক উপায়ে পড়তে হয়।

আমার আত্মবিশ্বাসের মূল কারণ ছিল আমার শক্তিশালী প্রস্তুতি। কলেজে স্বভাবতই ভালো ছাত্র ছিলাম এবং কন্সিস্টেন্টলি সময়ের পড়া সময়ে শেষ করতাম। সেজন্য ভালো রেজাল্ট অব্যাহত থাকত। খুবই গোছালো উপায়ে পড়াশোনা করার কারণে পড়া জমে থাকত না। তখন মনে মনে ভাবলাম কেমন হয় যদি আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও নিজেকে এগিয়ে রাখি। এগোনো শুরু করলাম। প্রশ্নব্যাংক কিনে দেখি সি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় মোট ৫টা বিষয় থেকে প্রশ্ন করা হয়: (ক) বাংলা, (খ) ইংরেজি, (গ) হিসাববিজ্ঞান, (ঘ) ব্যবসায় ও ব্যবস্থাপনা ও (ঙ) ফাইন্যান্স/মার্কেটিং।

একটা বিষয় লক্ষ্য করলাম যে এখানে সব বিষয়ে এইচএসসি ও অ্যাডমিশনের সিলেবাস একই থাকলেও ইংরেজিতে সবচেয়ে বেশি এবং বাংলায় অল্পবিস্তর নতুন জিনিস লক্ষ্য করা যায়। ইংরেজিতে এই নতুন বিষয়গুলো হলো বেসিক গ্রামার, ভোকাব্যুলারি ও প্রেপজিশন। এই দুটি উৎস থেকে প্রতি বছরই অনেক প্রশ্ন এসে থাকে। সেজন্য এগুলো কলেজে থাকতেই পড়া শুরু দিই। প্রতিদিন অল্প করে পড়তে পড়তে এইচএসসি শেষ হওয়ার পর আমি ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষার জন্য অনেকখানি এগিয়ে ছিলাম।

আমার দৈনন্দিন রুটিন বলতে সবার আগে প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন শেষ করতাম। নিজের লক্ষ্যকে এক সপ্তাহের ছোট ছোট টার্গেটে সাজিয়ে সে অনুযায়ী এগোতাম। এক্ষেত্রে প্রতিটা টার্গেট অর্জনে নিজেকে পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখতাম, যা আমাকে অনুপ্রেরণা দিত। আর দৈনন্দিন রুটিনের ব্যাপারে ধরাবাঁধা কোনো নিয়ম আছে কি না জানি না। সবার রুটিন এক হবে না এটাই স্বাভাবিক কারণ সবার প্রেফারেন্স একরকম না। আমার পরামর্শ, নিজের শক্তি-দুর্বলতা ও সুযোগ-সুবিধা বুঝে নিজের রুটিন নিজেকে তৈরি করে নিতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে, পড়া কখনও ফেলে রাখা যাবে না এবং নিজের লক্ষ্য থেকে দূরে সরা যাবে না।

লিখিত পরীক্ষায় ভালো করার উপায় কী?
বাবলু: লিখিত পরীক্ষায় ভালো করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে অনেক পরিমাণে অনুশীলন করা। একজন শিক্ষার্থী যত বেশি অনুশীলন করবে তার ভুলগুলো তত বেশি ধরা পড়বে এবং সে নিজেকে সংশোধনের সুযোগ পাবে। একটা বাক্যের অনুবাদ অনেক উপায়েই করা যায়। কিন্তু সেই উত্তরটাই বেশি নম্বর তুলতে সহায়তা করবে; যেটা কম শব্দ ব্যবহার করে ও নির্ভুল গ্রামারে লেখা হয়েছে। এই দক্ষতা গঠনের জন্য নিঃসন্দেহে অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই। লিখিত পরীক্ষার জন্য একটি বাক্য সঠিকভাবে অনুশীলন করা মানে আরও কয়েকটি বাক্য নির্ভুলভাবে লেখার জন্য নিজেকে যোগ্য করে তোলা। হাতের লেখা লিখিত পরীক্ষায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। অতএব, এই সকল বিষয় বিবেচনায় রেখে লিখিত পরীক্ষায় ভালো করতে হলে অবশ্যই যথেষ্ট পরিমাণে অনুশীলন করতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় প্রশ্নের নমুনার জন্য গত বছরের প্রশ্নপত্র দ্রষ্টব্য।

বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার কোনো সহজ টেকনিক আছে?
বাবলু: বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার কোনো সহজ বা শর্টকাট টেকনিক নেই। এইচএসসির সাথে এর মূল পার্থক্য হচ্ছে: এইচএসসিতে নিজের ফলাফল কারও দ্বারা প্রভাবিত হয় না, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় সেটা প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ, নিজে ভালো করা সত্ত্বেও অপরজন যদি তোমার চাইতে আরও ভালো করে যায়, তবে তোমার চান্স পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে যাচ্ছে। অতএব, এখানে প্রতিযোগিতা অনেক তীব্র। সেজন্য চান্স নিশ্চিত করতে হলে আকাশ-কুসুম কল্পনা ত্যাগ করে এখনই প্রস্তুতিতে নেমে পড়তে হবে।

ছাত্রের মেধাভেদে পড়ার তারতম্য হয়। তারপরও দৈনিক কত ঘণ্টা না পড়লেই নয়?
বাবলু: দৈনিক কত ঘণ্টা পড়তে হবে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর প্রায়ই বিতর্কিত ও অযাচিত। একজন শিক্ষার্থী যদি ১ বছর আগে থেকে প্রস্তুতি শুরু করে তাহলে দৈনিক বেশি প্রেশার নেওয়ার প্রয়োজন পড়ছে না। এবং অপরজন যদি আরও পরে শুরু করে তাহলে তাকে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে পূর্ববর্তী শিক্ষার্থীর চাইতে অবশ্যই বেশি সময় দিতে হবে। এছাড়াও, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর শক্তি ও দুর্বলতা সমান নয়। যার কোনো টপিক আয়ত্ত করতে অধিক সময় প্রয়োজন তাকে অধিক সময় পড়তে হবে। যার কম সময়ে পড়াটা শেষ হয়ে যায় তার কম সময় হলেও যথেষ্ট। যাই হোক, বর্তমান প্রেক্ষিতে আমার পরামর্শ হচ্ছে দিনে অন্তত ৮ ঘণ্টা না পড়লেই নয়।

কোচিং কতটা গুরুত্বপূর্ণ? যাদের কোচিং করার সুযোগ নেই তারা কীভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারে?
বাবলু: বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার ক্ষেত্রে কোচিং করা ভালো; তবে তা বাধ্যতামূলক নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় ভালো করতে হলে কিছূ টেকনিক যেমন ক্যালকুলেটর ছাড়া ক্যালকুলেশন সলভ করা, কোন বিষয় থেকে আগে ও পরে উত্তর করা, প্যাসেজ সলভ করা ইত্যাদি প্রয়োজন হয়। এসকল টেকনিকের ব্যাপারে দির্দেশনা ও সময় ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সচরাচর কোচিংয়ের ভূমিকা থেকে থাকে। তবে, কেউ যদি একান্তভাবে কোচিং করতে না-চায়, তবে তাকে অবশ্যই অভিজ্ঞ কারও পরামর্শ মেনে চলতে হবে। এছাড়া, প্রস্তুতির ক্ষেত্রে কোচিঙে পড়া বা বাসায় পড়া একই কথা।

গাইড বই নাকি টেক্সট বই- কোনটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
বাবলু: অবশ্যই টেক্সট বই অধিক গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস অনির্দিষ্ট থাকায় ভালো প্রকাশনীর গাইড বইয়ের ওপর নির্ভর করতে হয়। এতে প্রস্তুতি আরও স্মুথ হয় এবং প্রশ্ন কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

কী কী বই না পড়লেই নয়। কিছু বইয়ের নাম জানতে চাই।
বাবলু: হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা ও ফাইন্যান্স/মার্কেটিংয়ের জন্য এইচএসসির টেক্সট বই যথেষ্ট। পাশাপাশি ভালো গাইড বই রেফারেন্স হিসেবে রাখা যেতে পারে। বাংলার জন্য এইচএসসির টেক্সট বইয়ের পাশাপাশি ৯ম-১০ম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই অবশ্যই পাঠ করতে হয়। ইংরেজির জন্য ভালো প্রকাশনীর গ্রামার বই ও মুখস্থ পার্টের গাইড বই অবশ্যই প্রযোজ্য।

জিপিএ-তে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীরা কীভাবে ভর্তি পরীক্ষায় ভালো করতে পারে?
বাবলু: আমার এক বন্ধুর এএসসি ও এইচএসসির জিপিএ ৮ পয়েন্টের কাছাকাছি ছিল। কিন্তু সে বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পায়। এক্ষেত্রে তাকে সম্পূর্ণভাবে ভর্তিপরীক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টার ওপর নির্ভরশীল হতে হয়। ভর্তি পরীক্ষায় সে যথেষ্ট পরিমাণ মার্ক্স পায় বলেই তার কম জিপিএ সত্ত্বেও সে চান্স পায়। অতএব, জিপিএতে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের ভর্তিপরীক্ষার জন্য আরও কঠোরভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।

যারা একই সাথে একাধিক ইউনিটের প্রস্তুতি নেয়, তাদের জন্য পরামর্শ কী?
বাবলু: যারা একই সাথে একাধিক ইউনিটের প্রস্তুতি নিচ্ছ তাদের জন্য ইংরেজি ও বাংলা হচ্ছে কমন বিষয়। অতএব, তোমরা ইংরেজি ও বাংলা খুবই ভালোভাবে ও পুঙ্খানুপুঙ্খ উপায়ে পড়বে। এছাড়া প্রত্যেক ইউনিটে যেসব আলাদা বিষয় রয়েছে, সেগুলোর জন্য প্রেফারেন্স সেট করবে। অর্থাৎ, যে ইউনিট অধিক কাম্য, তার জন্য অধিক সময় দিতে হবে। সময় ম্যানেজমেন্টের ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে যেন সব পড়া সময়মতো শেষ হয়। যদি কখনও মনে হয় যে একসাথে একাধিক ইউনিটের পড়াশোনা সম্ভব না, তাহলে বাকিগুলো বাদ দিয়ে একটার প্রস্তুতি অব্যাহত রাখবে।

ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণকালে সাধারণত কোন ভুলগুলো শিক্ষার্থীদের পিছিয়ে দেয়?
বাবলু: সাধারণত যেসব ভুলগুলো করে থাকে, তারমধ্যে রয়েছে
ক. পড়া শেষ না করে ফেলে রাখা এবং “আজ নয়, কাল” মনোভাব পোষণ করা।
খ. সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার বা অকারণে ব্যবহার করা।
গ. ঠিকমতো সময় কাজে না লাগানো।
ঘ. একই ইউনিটের প্রস্তুতির জন্য একাধিক কোচিংয়ে ভর্তি হওয়া।
ঙ. পূর্বপরিকল্পনা না করে একাধিক ইউনিটের প্রস্তুতি শুরু করা।
চ. এছাড়াও শিক্ষার্থীরা সাধারণভাবে যেসব ভুল করে থাকে সেগুলোর ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।

পরীক্ষা চলাকালীন ১ ঘন্টা/দেড় ঘন্টায় কোন ভুল করা উচিত নয়?
বাবলু: ভর্তি পরীক্ষার সবকিছুই এই পরীক্ষা চলাকালেই নির্ধারিত হয়। ৪/৫ মাসের পরিশ্রম পুরোটুকুই বৃথা যায় যদি এই সময়টাকে কাজে লাগানো না হয়। অতএব, এই পরীক্ষার এই সময়টুকুতেই সবচেয়ে বেশি সাবধানতা ও ধৈর্য অবলম্বন করতে হবে। পরীক্ষার হলে ঢুকেই সবার আগে নিজের মনকে স্ট্যাবল করতে হবে। ভেবে নিতে হবে তোমার মতো যারা পরীক্ষায় উপস্থিত হয়েছে তারা সবাই কমবেশি উদ্বিগ্ন। তাই, মনকে শান্ত করা একান্ত আবশ্যক। কেননা শান্ত মনে চিন্তাশক্তি ও অনুধাবনক্ষমতা বেশি থাকে। অতঃপর, আগে থেকে নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী উত্তর দাগানো শুরু করতে হবে। প্রথমে ম্যানেজমেন্ট, তারপর ফাইন্যান্স/মার্কেটিঙ, তারপর বাংলা, অতঃপর হিসাববিজ্ঞান ও সবার শেষে ইংরেজি দাগানোটা হলো কমন প্র্যাক্টিস। এক্ষেত্রে কোনো প্রশ্নের উত্তর অজানা থাকলে তাতে সময় ক্ষেপণ না করে পরবর্তী প্রশ্নে যেতে হবে। ইংরেজি দাগানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই নেগেটিভ মার্কিংয়ের কথা মনে রাখতে হবে যে অতিরিক্ত ঝুঁকি যেন ফেইলের কারণ হয়ে না দাঁড়ায়।

প্রথমবার যারা ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে তাদের মাঝে ভয় বেশি কাজ করে এবং এর ফলে অনেকেই ব্যর্থ হয়। এই ভয় দূর করার ক্ষেত্রে করণীয় কী?
বাবলু: এই ভয় দূর করার প্রধান উপায় হচ্ছে আত্মবিশ্বাস। অর্থাৎ, তুমি যদি যথাযথ পরিশ্রম করে থাক তবে সাফল্য তোমার কাম্য। দৃঢ় মনোবল নিয়ে পরীক্ষার হলে উপস্থিত হতে হবে। প্রশ্ন পাওয়ার পর আনকমন প্রশ্ন দেখে ঘাবড়ে যাওয়া যাবে না। বরং, ধৈর্য ধরে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে এবং সকল দুশ্চিন্তা পরিহার করতে হবে। পরীক্ষায় আসার পূর্বে মা-বাবা ও শিক্ষকদের সঙ্গে মন খুলে কথা বলে আসবে।

ঈদের তারিখ ঘোষণা করল তুরস্ক ও সিঙ্গাপুর
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষ, নিহত ২
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
এক ব্যাচের ৬৩ জনের ৪০জন হলেন আইনজীবী
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
এক্সিকিউটিভ নিয়োগ দেবে গাজী গ্রুপ, আবেদন শেষ ৩১ মার্চ
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
ময়মনসিংহে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সরকারি চাল জব্দ
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
ইউসেপ বাংলাদেশে চাকরি, পদ ১৬, আবেদন শেষ ২৮ মার্চ
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence