অধ্যাপক এম এইচের ছেলের হাতে স্বর্ণপদক তুলে দিচ্ছেন অতিথিরা, ইনসেটে অধ্যাপক এম এইচ খান © টিডিসি সম্পাদিত
মেধা, নিষ্ঠা, অবদান এবং মানবকল্যাণের প্রতি অঙ্গীকারের স্বীকৃতিস্মরূপ ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্বর্ণপদক (মরণোত্তর) পেয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এম এইচ খান (মোশাররফ হোসেন খান)। আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে বারডেম জেনারেল হাসপাতাল মিলনায়তনে এই স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক এম এইচ খানের পুত্র প্রকৌশলী মোজাদ্দেদ হোসেন খান। হাতে স্বর্ণপদক তুলে দেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ও জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান। এ সময় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থী সম্মাননাও প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিমের যে ডেডিকেশন, উনি ছিলেন মিশনারি এবং ভিশনারি। মানুষের কল্যাণে সর্বত নিয়োজিত ছিলেন। তিনি যা করে গেছেন তা অত্যন্ত মানবিক এবং প্র্যাকটিক্যাল।
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, চিকিৎসকদের মানবিক হওয়া সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। এজন্য চিকিৎসকদের দর্শন পড়া দরকার। কারণ মানবশরীর শুধু শরীর না।
দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ডা. ইব্রাহিমের মতো আরও মানুষের প্রয়োজন আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সাথে তার স্মৃতিকে ধরে রাখার অনুরোধও জানান ড. সালেহউদ্দিন।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, সমিতির ভাইস প্রেসিডেন্ট, বারডেমের বোর্ড অব অ্যাডভাইজরসের চেয়ারম্যান ও ন্যাশনাল কাউন্সিল সদস্য আব্দুল মুয়িদ চৌধুরী এবং বারডেমের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. মো. নাছির উদ্দীন আহমেদ।
বারডেম অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মো. মোর্শেদ উদ্দীন আকন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আনোয়ারুল ইসলাম। এতে স্মারক বক্তব্য প্রদান করেন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক (ক্লিনিক্যাল সার্ভিসেস) অধ্যাপক অধ্যাপক ডা. এটিএম মাওলাদাদ চৌধুরী। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বারডেমের বোর্ড অব অ্যাডভাইজার্সের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাজেরা মাহতাব।
অনুষ্ঠানে ডা. মো. ইব্রাহিম এবং স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক এম এইচ খানের জীবন, কর্ম ও অবদানের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।