আদ-দ্বীনে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সরকারের তদন্ত কমিটি গঠন

২৭ মে ২০২৬, ০১:৪৩ PM
আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল © টিডিসি ফটো

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে অন্তত ছয় শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে এসির লিকেজ থেকে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে বলে স্বজনরা দাবি করেছেন। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ছিল কিনা সে বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান (প্রশাসন)।

আজ বুধবার (২৭ মে) দুপুরে হাসপাতালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোন গাফিলতি আছে কি না তা খতিয়ে দেখতে আমরা তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। কমিটির সদস্যরা তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। 

এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে থাকা ছয় নবজাতক অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাদের এনআইসিইউতে নেয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে তাদের মৃত্যু হয়। 

হাসপাতালের মহাপরিচালক (হসপিটালস অ্যান্ড নার্সিং) অধ্যাপক ডা. নাহিদা ইয়াসমিন বলেন, যে ওয়ার্ডে ঘটনাটি ঘটেছে সেখানে ১১ জন মা ও ছয়জন সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশু ছিলেন। শিশুদের বয়স এক থেকে দুই দিনের মধ্যে। সিজারের পর নিয়মিতভাবেই ওই ওয়ার্ডে মা ও নবজাতকদের রাখা হয়।

আরও পড়ুন: মধ্যরাতে হঠাৎ চিৎকার শুরু করে বাচ্চাগুলো, ভোর হতে না হতেই না ফেরার দেশে সবাই! লাশের সারিতে এক-দুই দিন বয়সী শিশুও

তিনি বলেন, ওয়ার্ডটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় অনেক সময় রোগী বা স্বজনেরা অতিরিক্ত ঠাণ্ডার অভিযোগ করে এসি বন্ধ রাখতে বলেন। এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটে।

ডা. নাহিদা ইয়াসমিনের ভাষ্য, রাত তিনটার পর দুটি শিশু অসুস্থ বোধ করলে তাদের নিউ নেটাল আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে জানান, শিশুরা ভালো আছে। পরে তাদের আবার ওয়ার্ডে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, ভোর ছয়টার পর দায়িত্বরত নার্স ও মায়েরা দেখতে পান, শিশুদের অবস্থা আবার খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এরপর ছয় নবজাতককেই নিউ নেটাল আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানে নেয়ার পর দুই শিশুকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বাকি চার শিশুকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত তাদেরও বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

এ ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে হাসপাতালের পরিবেশ। এক শিশুর দাদী অভিযোগ করেন, তার নাতনিকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হলেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর তিনি জানতে পারেন, শিশুটি আর বেঁচে নেই। তিনি বলেন, চিকিৎসকেরা যদি পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারেন, তাহলে তাদের অন্য হাসপাতালে যেতে বলা উচিত ছিল।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, রাতে ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত ডাক্তার ও নার্স ছিলেন না। বাচ্চারা সারারাত কান্না করছিল এবং একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ছিল।

বই মুদ্রণকারীদের জন্য কড়া সতর্কবার্তা শিক্ষামন্ত্রীর
  • ০৯ জুলাই ২০২৬
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা যেভাবে শুরু হয়েছিল
  • ০৯ জুলাই ২০২৬
আর্জেন্টিনা–মিসর ম্যাচের মতোই রেফারিং চান ফ্রান্সের কোচ
  • ০৯ জুলাই ২০২৬
কুপিয়ে স্ত্রী-সন্তানকে হত্যা, পলাতক স্বামী
  • ০৯ জুলাই ২০২৬
ডুলাহাজরায় ৭ লাখ গাছ লাগানোর তথ্য সরকারি নথিতে, আসলে হয়েছে …
  • ০৯ জুলাই ২০২৬
ফ্রান্স নাকি মরক্কো, কে জিতবে—জানাল সুপারকম্পিউটার
  • ০৯ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence