অর্ধেক খরচে দেশেই উৎপাদন হবে হাম-ডেঙ্গু ও জলাতঙ্কের টিকা

১১ মে ২০২৬, ১২:০৬ PM , আপডেট: ১১ মে ২০২৬, ০২:৩৭ PM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত

দেশে প্রথমবারের মতো সরকারি উদ্যোগে ডেঙ্গু, হাম ও জলাতঙ্কের টিকা এবং সাপের কামড়ের প্রতিষেধক অ্যান্টিভেনোম উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে রাষ্ট্রীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)। আগামী এক বছরের মধ্যে উৎপাদনে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের জুন থেকেই সরকারকে এসব টিকা ও প্রতিষেধক সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে।

ইডিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আ. সামাদ মৃধা রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে জানান, ‘দেশে ডেঙ্গু, হাম, জলাতঙ্ক ও সাপের কামড়জনিত ঝুঁকি বাড়ায় জরুরি ভিত্তিতে এ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘ইডিসিএলের বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করেই প্রাথমিকভাবে উৎপাদন কার্যক্রম চালু করা হবে। এ জন্য আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২৫ কোটি টাকা। প্রকল্প চালু হলে বছরে প্রায় ৯০ লাখ থেকে ১ কোটি ভায়াল টিকা ও অ্যান্টিভেনোম উৎপাদন সম্ভব হবে।’

ইডিসিএলের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে এই চার ধরনের টিকা ও প্রতিষেধকের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৫০ লাখ ডোজ। স্থানীয়ভাবে উৎপাদন শুরু হলে বিদেশ থেকে আমদানির তুলনায় প্রায় অর্ধেক খরচে সরকার এসব সংগ্রহ করতে পারবে। একই সাথে দেশের চাহিদা পূরণের পর বিদেশে রফতানির সুযোগও তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী— চলতি বছর দেশে হামের প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত ১০ মে পর্যন্ত মোট ৫৫ হাজার ৯৭৮ হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো টিকা না পাওয়াই এই প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। অন্যদিকে দেশে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা ও অ্যান্টিভেনোমেরও সংকট রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, দেশে প্রতিবছর প্রায় ৪ লাখ মানুষ সাপের কামড়ে আক্রান্ত হন এবং ৭ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।

এদিকে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক ভ্যাকসিন ও রিসার্চ কমপ্লেক্স গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে ইডিসিএল। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে ১০ একর জমির ওপর নির্মিতব্য এ কমপ্লেক্সে ভ্যাকসিন গবেষণা, বায়োটেকনোলজি পণ্য উন্নয়ন ও ওষুধ উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ২০৩২ সালের মধ্যে সেখানে উৎপাদন শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অনেক গুপ্ত চাঁদাবাজ জামায়াতে আশ্রয় নিয়েছে: রিজভী
  • ৩১ মে ২০২৬
‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের বানান ভুল, চিড়িয়াখানার কিউরেটর বরখা…
  • ৩১ মে ২০২৬
জাহাঙ্গীরনগরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের ঢোকা নিয়ে তুঘল…
  • ৩১ মে ২০২৬
বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ডেকে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে হত্যা, ৩ জনকে…
  • ৩১ মে ২০২৬
নেইমারের ইনজুরি নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন কোচ আনচেলত্তি
  • ৩১ মে ২০২৬
‘কেউ আমার বিশেষ ঘনিষ্ঠ নয়, প্রত্যেককে মেধার ভিত্তিতে বিবেচন…
  • ৩১ মে ২০২৬