লড়াইটা সবার, দুস্থদের জন্য মাস্ক বানাচ্ছেন রাষ্ট্রপতির স্ত্রী

২৩ এপ্রিল ২০২০, ০১:০৬ PM

করোনাভাইরাসের থাবা থেকে দেশের মানুষদের বাঁচাতে এবার নিজ হাতে মাস্ক বানাতে নেমে পড়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতির স্ত্রী সবিতা কোবিন্দ। দেশের প্রথম নাগরিক থেকে আমজনতা, করোনা আতঙ্কে বিপর্যস্ত। প্রাণঘাতী রোগের গ্রাসে একটু একটু করে গোটা দেশ যেন তলিয়ে যাচ্ছে। সেখান থেকে দেশকে বাঁচাতে শুধু সরকার বা প্রশাসনের একার দায়িত্ব নয়, প্রত্যেক নাগরিকের কাঁধে সেই দায়িত্ব বর্তেছে। নিজের হাতে মাস্ক বানিয়ে সেই বার্তাই দিলেন দেশের ফার্স্ট লেডি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে- সবিতা নিজে হাতে সেলাই মেশিনে মাস্ক বানাচ্ছেন। নিজেও একটি মাস্ক পরে রয়েছেন। জানা যাচ্ছে, দিল্লি আরবান শেল্টার ইম্প্রুভমেন্ট বোর্ডের অধীনে থাকা আবাসিকদের ওই মাস্ক তুলে দেওয়া হবে। প্রায় সব রাজ্যই এখন মাস্ক পরাকে বাধ্যতামূলক করেছে।

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং মাস্ক পরা অত্যন্ত জরুরি। মাসাধিকাল ধরে লকডাউন বলবত্ রাখা হয়েছে। কিন্তু এরপরেও বিভিন্ন জায়গায় লকডাউন ভেঙে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছেন মানুষ। সচেতনতা বৃদ্ধি করতে প্রশাসন-পুলিস সব রকমের চেষ্টা চালাচ্ছে। থেমে নেই সেলিব্রিটিরাও। ভিডিয়োর মাধ্যমে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বার্তা দিচ্ছেন তাঁরা। এবার খোদ রাষ্ট্রপতির স্ত্রী মাস্ক বানিয়ে বার্তা দিলেন, এই মুহূর্তে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে প্রত্যেক দেশবাসীকে। সামর্থ্য অনুযায়ী দুঃস্থদের পাশে এভাবেও থাকা যায়, সেই বার্তাও দিয়ে রাখলেন সবিতা দেবী।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো এশিয়ার দেশ ভারতেও থাবা বসিয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। তবে দেশটিতে ইউরোপ-আমেরিকার চেয়ে তুলনামূলক কম গতিতে এগোচ্ছে করোনাভাইরাস। দেশটির সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে এর কারণ হিসেবে লকডাউনকে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, লকডাউনের কারণে ইউরোপ-আমেরিকার মতো ভারতে দ্রুত পরিস্থিতির অবনতি হয়নি। বরং এর সুবাদে ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে যাচ্ছে দেশটি।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) পর্যন্ত ভারতে মাত্র ৮ দিনে দ্বিগুণ হয়েছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। এই ৮ দিনে ১০ হাজার থেকে লাফিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ২০ হাজারে। তবুও ইউরোপ-আমেরিকার চেয়ে ভারতে করোনাভাইরাসের গতি কম।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্চের শুরুতে আক্রান্ত ৩ জন থেকে ১০০ জনে পৌঁছতে ২ সপ্তাহ সময় লেগেছিল। এরপর আরও দুই সপ্তাহ সময় লেগেছিল আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজারে পৌঁছতে। এর পরের ধাপে এই সংখ্যাটা ১০ হাজারে পৌঁছতে সময় লেগেছিল ২ সপ্তাহের আরও একটু বেশি। এই গতিতে চললে এই মাসের শেষ নাগাদ আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছার কথা। তবে লকডাউন ও অন্যান্য পদক্ষেপের সুবাদে এই মাসের শেষে আক্রান্তের সংখ্যা ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজারের মধ্যেই আটকে যাবে।

আরও কমল জ্বালানি তেলের দাম
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
ছাত্রদল নেতার ছুরিকাঘাতে নারী ব্যবসায়ীর মৃত্যু
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
মামুনুলের শক্তি মোহাম্মদপুরের প্রভাব-প্রতিপত্তি, ববির আছে অ…
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
সোনার দাম ফের বাড়ল, এবার কত?
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
এনএসইউ ইয়েস ক্লাবের ‘এন্ট্রেপ্রেট সিজন ৩’-এর গ্র্যান্ড ফিনা…
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
ব্যাংককে নিজের মনে করলে সেবার মান বহুগুণ বাড়বে: ইসলামী ব্যা…
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬