জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় © ফাইল ফটো
দেশের সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি পদ শূন্য রয়েছে। মোট অনুমোদিত ১৯ লাখ ৮৬ হাজার ২৭২টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫০ জন। শূন্য পদ পূরণে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।
বুধবার জাতীয় সংসদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকের কার্যপত্রে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। কমিটির সভাপতি সাঈদ আহমেদের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, শাহজাহান চৌধুরী, আমিরুল ইসলাম খান, ফখর উদ্দিন আহমেদ, রেহেনা আক্তার রানু ও নূরুল ইসলাম বুলবুল।
কার্যপত্রে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থা এবং মাঠপর্যায়ের প্রশাসনে শূন্য পদ পূরণে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুসারে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সরকারের প্রথম ১৮০ দিনে ২ হাজার ৮৭৯টি শূন্য পদ পূরণের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২ হাজার ৬১টি পদ পূরণ করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও তাদের অধীন কার্যালয়গুলোতে অনুমোদিত পদ ৪১ হাজার ৭৫৫টি। এর বিপরীতে কর্মরত জনবল ২৭ হাজার ১৭৭ জন এবং শূন্য পদ ১৪ হাজার ৫৭৮টি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব জনবলের চিত্রেও শূন্য পদের তথ্য রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত ৬২৯টি পদের বিপরীতে কর্মরত ৫০৫ জন। শূন্য রয়েছে ১২৪টি পদ। বৈঠকে বিশেষ বিসিএসে নিয়োগ, প্রার্থী যাচাই-বাছাই, গোয়েন্দা প্রতিবেদন এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বদলি নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি সরকারি কাজে অসহযোগিতা ও অবহেলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে। তবে শুধু দলীয় পরিচয়ের কারণে কাউকে শাস্তি দেওয়া উচিত নয় বলেও মত দেন আলোচনায় অংশ নেওয়া সদস্যরা।
সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আইনগত বা প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা থাকলে তা কমিটির সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরার নির্দেশ দিয়েছেন সভাপতি। একই সঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ধীরগতির প্রকল্পগুলোর কারণ অনুসন্ধান এবং সরকারি কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সহযোগিতা নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে কমিটি।