জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:১৭ PM , আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:২০ PM
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান © সংগৃহীত

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০২৬ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন করেছেন।

'বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’-এই প্রতিপাদ্যে আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই ) সকালে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এই আয়োজন হয়।

অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার ২০২৬ এবং বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার ২০২৫ প্রদান করেন। এছাড়া সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মাঝে লভ্যাংশের চেক বিতরণ করেন। 

অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গনে একটি করে জলপাই, জারুল ও নিম গাছের চারা রোপন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে আয়োজিত বৃক্ষমেলা ও পরিবেশমেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বর্তমান মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ।

আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ দেশে বৃক্ষরোপণকে সর্বপ্রথম একটি রাষ্ট্রীয় আন্দোলনে রূপ দেন এবং ১৯৭৯ সালে প্রথম জাতীয় বননীতি প্রণয়ন করেন। পরবর্তীকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৪ সালে জাতীয় বৃক্ষমেলার ঐতিহাসিক যাত্রার সূচনা করেন এবং অংশীদারিত্বমূলক সামাজিক বনায়নের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার প্রযুক্তি ও প্রকৃতির সমন্বয়ে একটি টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ঢাকায় পরিবেশ মেলা ও মাসব্যাপী জাতীয় বৃক্ষমেলার পাশাপাশি দেশের ৭টি বিভাগীয় সদর, ৫৬টি জেলা সদর এবং ২৯টি উপজেলায় ৩ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হয়েছে।

বর্তমান সরকার একটি সবুজ, জলবায়ু-সহনশীল, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণকে সমান গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের এক যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এটি কেবল একটি সরকারি কর্মসূচি নয়, বরং একটি জাতীয় আন্দোলন।

বৃক্ষরোপণের এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় জিআইএস (GIS), রিমোট সেন্সিং, ন্যাশনাল ট্রি ডাটাবেজ এবং ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বনায়ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে ৩.৫ লক্ষাধিক নতুন সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং ১০,০০০ নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা গড়ে উঠবে।

গণিতের আন্তর্জাতিক আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন ববি শ…
  • ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রবাসীদের জন্য জরুরি ১০ নির্দেশনা জারি করল সরকার
  • ৩১ জুলাই ২০২৬
ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা কর্ডেইরোর পদত্যাগ
  • ৩১ জুলাই ২০২৬
এনসিপির চোখ হারানো আলিফকে দেখতে চক্ষু হাসপাতালে বিরোধীদলীয় …
  • ৩১ জুলাই ২০২৬
চরফ্যাশনে পুকুরে ভাসমান অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
  • ৩১ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশে কোন পে স্কেলে কত শতাংশ বেতন বেড়েছিল
  • ৩১ জুলাই ২০২৬