প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাংলা বলার অনভ্যস্ততা নিয়ে শ্রেণিকক্ষের আলোচনাকে ‘কুটুক্তি আখ্যা দিয়ে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে আটক প্রধানশিক্ষক অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে ওই প্রধানশিক্ষককে মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি জানান প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন।
ফেসুকে মাহাদী আমিন লেখেন,কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে শ্রেণিকক্ষে এক স্কুল শিক্ষকের কটূক্তি ও আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অধিবাসীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তাদের বিক্ষোভের পর পুলিশ ওই শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। বিষয়টি জানতে পেরে প্রধানমন্ত্রী সংক্ষুব্ধ হন এবং সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশ দেন, শিক্ষককে সসম্মানে ছেড়ে দিয়ে নিরাপদে তাঁর বাসায় পৌঁছে দিতে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পরবর্তীতে পুলিশ তাকে নিরাপদে বাসায় পৌঁছে দেয়।’
তিনি আরও জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, মতের ভিন্নতা থাকতেই পারে; প্রত্যেক মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ও মতামত তার নিজস্ব। কারও মতের সঙ্গে একমত না হলেও তার মতপ্রকাশের অধিকারকে সম্মান করা উচিত। ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি এই সম্মানই গণতন্ত্রের শক্তি। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, ইতিবাচক আচরণ, পারস্পরিক সম্মান ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি সমাজকে শক্তিশালী করবে।’