শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন © টিডিসি সম্পাদিত
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেটের ওপর বিরোধীদলের উত্থাপিত ছাঁটাই প্রস্তাবকে ‘অবাস্তব’ বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, মিড-ডে মিল কর্মসূচিতে যে ত্রুটি রয়েছে, তা সরকার স্বীকার করছে এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সেগুলো সমাধানে কাজ চলছে।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেটের ওপর আলোচনায় ছাঁটাই প্রস্তাবের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার মাত্র চার মাস ধরে দায়িত্বে রয়েছে। মাননীয় সংসদ সদস্য যে অভিযোগগুলো তুলে ধরেছেন, সেগুলোর বেশিরভাগই মূলত বিগত সরকারের সময়কার সমস্যা। তিনি পুষ্টি মূল্যায়নের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। আমরা এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে কাজ করছি।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি আর দীর্ঘায়িত করতে চাচ্ছি না। উনারা যে ছাঁটাই প্রস্তাব দিয়েছেন, এটা আসলে অবাস্তব প্রস্তাব। আমি আপনার কাছে এটাকে মঞ্জুর করার জন্য সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি।’
এর আগে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২ নম্বর দাবির বরাদ্দ থেকে প্রতীকীভাবে ১০০ টাকা কমানোর ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
ছাঁটাই প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্যে তিনি বলেন, বাজেট প্রণয়নে ভ্যালু অ্যান্ড রেজাল্ট-বেইজড বাজেটিং-এর ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তাঁর মতে, শুধু বরাদ্দ নয়, সেই অর্থ ব্যয়ে কী ফল অর্জিত হচ্ছে, তারও মূল্যায়ন থাকা উচিত।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন শিক্ষককে একটি ট্যাব দেওয়া বা শিশুদের জন্য মিড-ডে মিল চালুর ফলে শিক্ষার মান কতটা উন্নত হলো, কিংবা শিশুদের পুষ্টিগত অবস্থার কী পরিবর্তন হলো—এসব বিষয়ে কোনো মনিটরিং ব্যবস্থা বা মূল্যায়নের মানদণ্ড থাকবে কি না। পাশাপাশি সংসদকে নিয়মিতভাবে এসব অগ্রগতি জানানো উচিত।