নিরাপত্তা ঝুঁকিতে জামায়াত আমির, গানম্যান ও বাসভবনে সশস্ত্র পুলিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত

১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:০৭ PM , আপডেট: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:১১ PM
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান © সংগৃহিত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাকে সার্বক্ষণিক অস্ত্রধারী দেহরক্ষী (গানম্যান) প্রদান এবং তার বাসভবনে পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে পুলিশ সদর দপ্তরকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডা. শফিকুর রহমানের উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ঝুঁকি ও সম্ভাব্য হুমকি বিদ্যমান। এ প্রেক্ষাপটে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা জোরদার করতে গানম্যান নিয়োগ এবং বাসভবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন জরুরি বলে মনে করছে সরকার।

এর আগে গত ১৭ ডিসেম্বর জামায়াত আমিরের জন্য সার্বক্ষণিক গানম্যান ও বাসভবনের নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েনের আবেদন করে দলটি। দলের অফিস সেক্রেটারি আ ফ ম আবদুস সাত্তার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই আবেদন জমা দেন। আবেদনটি যাচাই-বাছাই শেষে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ডা. শফিকুর রহমানকে নিয়ে এখন পর্যন্ত চারজন রাজনৈতিক নেতাকে সরকারিভাবে গানম্যান প্রদান করা হলো। এর আগে চরমোনাই পীর ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং বিএনপি নেতা মাসুদ অরুণ এই নিরাপত্তা সুবিধা পান।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা ইস্যুকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অস্ত্রের লাইসেন্স ও অস্ত্রধারী দেহরক্ষী চেয়ে প্রায় ২০ জন রাজনীতিবিদের আবেদন জমা পড়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও তাদের নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। এসব আবেদনের বিষয়ে পর্যায়ক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ১৪ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা–২০২৫’ জারি করে। জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। নীতিমালা জারির পর থেকেই নিরাপত্তা সুবিধা চেয়ে আবেদনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

ঢাকার এক কেন্দ্রে ভোটদানের হার ৪৩ শতাংশ
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে ১১-দলীয় জোট
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিয়ের সাজে ভোটকেন্দ্রে বর, বললেন—‘আগে ভোট পরে বিয়ে’
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নরসিংদী-১ আসনে একই কেন্দ্রে ভোট দিলেন জামায়াত ও বিএনপির প্র…
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাল ভোট দিতে গিয়ে আটক অপ্রাপ্ত বয়স্ক ৭ কিশোর
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
‘আন্টি সোসাইটি’র কাছে হাসনাতের কৃতজ্ঞতা, ভোটকেন্দ্র পাহারা …
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
X
APPLY
NOW!