হামজা চৌধুরী © সংগৃহীত
ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের সামনে অপেক্ষা করছে কঠিন পরীক্ষা। র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা কয়েকটি শক্তিশালী দলের বিপক্ষে মাঠে নামতে হবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। তবে প্রতিপক্ষের শক্তি নিয়ে না ভেবে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জন করাই লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী।
আসিয়ান কাপে খেলার সুযোগকে বড় সম্মান ও অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছেন হামজা। তিনি বলেন, এই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পেরে তারা রোমাঞ্চিত এবং গর্বিত।
হামজার ভাষায়, ‘এই টুর্নামেন্টে খেলা নিয়ে আমরা খুবই রোমাঞ্চিত এবং সম্মানিত। আমাদের জন্য এটা বড় একটা সুযোগ। কারণ আমাদের চেয়ে র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দলগুলোর বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাচ্ছি। নিজেদের মধ্যে আমাদের লক্ষ্য হলো যতোটা সম্ভব পয়েন্ট অর্জন করা।’
প্রতিপক্ষকে ভয় না পাওয়ার বার্তাও দিয়েছেন হামজা। তার মতে, আসিয়ান কাপ বাংলাদেশের জন্য নিজেদের সামর্থ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি শেখারও গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
হামজা যোগ করেন, ‘আমরা কাউকে ভয় পেতে এখানে আসিনি, আমরা জানি আমাদের সামর্থ্য কতোটা। ইনশাআল্লাহ, এই টুর্নামেন্ট আমাদের জন্য শেখার একটা দারুণ সুযোগ হবে। এখান থেকে যতোটা সম্ভব অভিজ্ঞতা নিতে চাই এবং আশা করি, দেশের মানুষকে গর্বিত করতে পারব।’
ইন্দোনেশিয়ায় এসে স্বাগতিকদের আতিথেয়তাতেও মুগ্ধ হামজা। অনুশীলনের মাঠ থেকে শুরু করে হোটেল-সবকিছুরই প্রশংসা করেছেন তিনি।
হামজা বলেন, ‘এখানকার মানুষজন খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ, আন্তরিকও। ফুটবলের প্রতি তাদের আগ্রহ অনেক বেশি। সুযোগ-সুবিধাগুলোও দারুণ। অনুশীলনের মাঠ আমাদের জন্য আদর্শ ছিল। সব মিলিয়ে অভিযোগ করার মতো কিছুই নেই, হোটেলও অসাধারণ।’
ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়েও সতর্ক এই মিডফিল্ডার। স্বাগতিকদের শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে উল্লেখ করে কঠিন ম্যাচের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন তিনি।
এই ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার ডিফেন্ডার এলকান বাগটের মুখোমুখি হবেন হামজা। ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপের ক্লাব মিলওয়ালে খেলা বাগটের সঙ্গে বিমানে এরই মধ্যে দেখা হয়েছে তার। এবার মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অপেক্ষায় হামজা।
বাগটের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘ও খুবই ভালো একজন খেলোয়াড়, এখনও বয়স কম। মিলওয়ালও খুব ভালো দল। তাই এই টুর্নামেন্টে, আর অবশ্যই লিগেও, ওর বিপক্ষে খেলতে মুখিয়ে আছি।’