ব্রাজিলের বিদায়, শেষ মুহূর্তে নেইমারের গোলও কাজে আসল না © সংগৃহীত
আর্লিং হলান্ডের বিধ্বংসী পারফরম্যান্সে যখন ব্রাজিলের “হেক্সা” স্বপ্ন একেবারে ভেঙে পড়ার পথে, ঠিক তখনই ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান কমান নেইমার জুনিয়র। তবে এই গোলও ব্রাজিলকে অনাকাঙ্ক্ষিত পরাজয় ও বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের হাত থেকে রক্ষা করতে পারেনি।
ম্যাচের শুরু থেকেই নাটকীয়তা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমার্ধেই ব্রুনো গুইমারাস পেনাল্টি মিস করেন, যা ম্যাচের গতি পরিবর্তনের প্রথম বড় ধাক্কা হিসেবে কাজ করে ব্রাজিলের জন্য। সুযোগ কাজে লাগিয়ে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় নরওয়ে।
দ্বিতীয়ার্ধে আর্লিং হলান্ড নিজের ক্লাস দেখাতে শুরু করেন। একের পর এক আক্রমণে ব্রাজিলের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রেখে তিনি জোড়া গোল করেন, এর ফলে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে পড়ে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নরওয়ের সংগঠিত রক্ষণ ও দ্রুত পাল্টা আক্রমণ ব্রাজিলকে বারবার সমস্যায় ফেলে দেয়।
তবে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা আরও একবার ফিরে আসে। নরওয়ের ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হয়ে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। ঠান্ডা মাথায় স্পট-কিক থেকে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন নেইমার জুনিয়র। তার নিখুঁত ফিনিশিং কিছুটা ব্যবধান কমালেও ম্যাচে ফেরার জন্য তা যথেষ্ট ছিল না।
রেফারি শেষ বাঁশি বাজানোর সঙ্গে সঙ্গেই নিশ্চিত হয় নরওয়ের ঐতিহাসিক জয়। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় ইউরোপের দলটি। অন্যদিকে গোল করেও হতাশার বিদায় নিতে হয় নেইমারকে, আর ব্রাজিলকে বিদায় নিতে হয় বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকেই।