তিন বছরে হাবিপ্রবিতে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে: উপাচার্য

০১ ডিসেম্বর ২০১৯, ১১:৫১ PM

© টিডিসি ফটো

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম বলেছেন, বিগত তিন বছরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। শুধুমাত্র অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে তা নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক এবং গবেষণার মানও অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে একাডেমিক সেশনজট নেই বললে চলে। 

রবিবার  বিকালে  বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেটের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন হাবিপ্রবির ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, বিভিন্ন শাখার পরিচালক, অনুষদীয় ডীনবৃন্দ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীবৃন্দ।

উপাচার্য প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম বলেন, বিগত তিন বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলে ১১টি গাড়ি সংযোজন হয়েছে এবং আরও কয়েকটি গাড়ি আসার অপেক্ষায় রয়েছে । যেখানে বিগত প্রায় ১৭  বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়ি ছিলো মাত্র ২৪টি। এছাড়া ক্লাস রুম, ল্যাব সংকট কমিয়ে আনতে ১০ তলা বিশিষ্ট একটি একাডেমিক ভবন, মেয়েদের থাকার জন্য ৬ তলা বিশিষ্ট একটি ছাত্রী হলের নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। ভেটেরিনারি মোবাইল ক্লিনিক,ফার্মার সার্ভিস সেন্টার চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সেগুলোও খুব শিগগির চলে আসবে। তাছাড়া মৎস্য হ্যাচারী, পোল্ট্রিশেড, কেন্দ্রীয় মসজিদ এসিকরন, মেডিকেল সেন্টার, টিএসসির সম্প্রসারণসহ আরও অনেক অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। এছাড়াও ৪২৯ কোটি টাকার বাজেট একনেকে পাশ হওয়ায় অপেক্ষায় আছে। সেটি পাশ হলে আবাসন, অডিটোরিয়াম, ল্যাব ইত্যাদির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। গত তিন বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধুমাত্র অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে তা নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক এবং গবেষণার মানও অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।   

উপাচার্য বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করার পর যে বিষয়গুলো আমাকে বেশি কষ্ট দিয়েছিল তার মধ্যে ২নং গেটটি ছিলো অন্যতম । বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশ পথ যদি এমন হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই মন খারাপ হয়ে যাওয়ার কথা। আর এই গেটটি সে রকমই জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিলো। আমি গেটটি দেখার পরই এখানে একটি দৃষ্টিনন্দন গেট তৈরির মনস্ত করি। আজ তা সেটি বাস্তবায়িত হয়েছে। এটি এখন থেকে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেট হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি বলেন, গেটটি নির্মাণ করতে পেরে আমি যেমন খুশি হয়েছি ঠিক তেমনি সকলের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করতে সমর্থ হয়েছি বলে মনে করি। সবার সহযোগিতা পেলে আমি ১নং গেটটিকেও সুন্দর করতে চাই।

এদিকে, নব নির্মিত প্রধান গেট উদ্বোধনের পর শিক্ষার্থীরা উচ্ছাস প্রকাশ করে ডিভিএম অনুষদের শিক্ষার্থী মোস্তাফিজ বলেন, আজ আমাদের প্রাণের দাবি পুরণ হয়েছে। আগে এই গেটটি নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হতো। এখন আমরা গর্ব করার মতো একটি গেট পেয়েছি। এ জন্য মাননীয় উপাচার্য স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আশা করি স্যার এভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

৩৬ জুলাই স্মরণে ইবি ছাত্রদলের ৩৬টি গাছের চারা রোপণ
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
বাবাকে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে বিসিএসে আবেদন, চূড়ান্ত হয়েও বাতি…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
৩৬ জুলাই স্মরণে ইবি শিক্ষার্থীর ৩৬ কিলোমিটার ম্যারাথন
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি নিয়োগ দেবে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী,…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
ডকুমেন্টারিতে ‘এক দফার ঘোষক’ ইস্যুতে প্রতিবাদ, মাহিন সরকারক…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
আমাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি হলেই ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬