বক্তব্য রাখছেন মাভাবিপ্রবি ভিসি প্রফেসর ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম © সংগৃহীত
মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেছেন, মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর যা যা স্মৃতি আছে, ইনশাআল্লাহ একটিও আমি নষ্ট হতে দিব না। আজ বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে মওলানা ভাসানী রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।
প্রফেসর ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি অত্যন্ত দুঃখিত, আমি ভাবতেই পারিনি এই রিসার্চ সেন্টারের এই অবস্থা, এখানে পরিচালক আছে, দুইজন ডেপুটি ডাইরেক্টর আছে, একজন কর্মচারীও আছে। মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর স্মৃতিগুলো খারাপ অবস্থায় থাকবে, এটা কল্পনাই করা যায় না।
তিনি জানান, মওলানা ভাসানী রিসার্চ সেন্টারের একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান অলমোস্ট শেষ। আগামী ২৫ তারিখে ফাইনাল প্রেজেন্টেশন হবে। এইখানে মওলানা ভাসানীর জন্য আলাদা রিচার্জ সেন্টারের জন্য ১০ তলা ভবনের একটি প্রস্তাব দেয়া আছে।
ভিসি আরও বলেন, উনার (মওলানা ভাসানী) মত ব্যক্তিত্বকে যে, আমরা সংরক্ষণ করতে পারি নাই, এটা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য ব্যর্থতা। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে আমি এইটুকু প্রতিশ্রুতি দিতে পারি, মওলানা ভাসানীকে সম্মান দেওয়ার জন্য উনার জীবনের যা কিছু আছে সবকিছু শুধু সংরক্ষণই করব না, উনার মৃত্যু দিবসে অনেক বড় ধরনের একটা প্রোগ্রামের পরিকল্পনা আমরা করেছি।
প্রফেসর শহিদুল ইসলাম জানান, সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ে অলরেডি কথা বলেছি, চিঠিও পাঠিয়েছি এবং বিভিন্ন কমিটি করার জন্য যাদের সংশ্লিষ্ট আছে তাদেরকে বলে দিয়েছি। শুধুমাত্র তাই নয়, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ব্যাপারে সারা পৃথিবীতে যারা যারা গবেষণা করেছে তাদের প্রত্যেকের সাথে আমি যোগাযোগের চেষ্টা করছি। সবাইকে বলেছি আমাকে লিংক দিতে এবং আমরা একটা স্মারক গ্রন্থ বের করব। যে স্মারক গ্রন্থের ভেতরে মওলানা ভাসানীর উপরে যারা যারা কাজ করেছে ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইউক্রেন, তাদের লেখা আমি আহ্বান করতেছি এবং আমি কমিটিকে বলেছি সব ধরনের সহযোগিতা করব, ইনশাল্লাহ।
যারা মওলানা ভাসানীকে ভালোবাসে উনাকে নিয়ে গবেষণা করে দেশে-বিদেশে তাদেরকে নিয়ে মওলানা ভাসানী রিসার্চ ইনস্টিটিউট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে বলেও জানান মাভাবিপ্রবি ভিসি।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর মো. আনিছুর রহমান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ ওয়াহিদ, আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা কামাল নাসির প্রমুখ।