শাবিপ্রবির হলে ফাটল, কক্ষ খালি করার নির্দেশে ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

২৭ জুন ২০২৬, ০৭:২৭ AM
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় © টিডিসি সম্পাদিত

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আয়েশা সিদ্দিকা হলের ‘সি ব্লকে’ ফাটল ও ঝুঁকির কারণে কয়েকটি কক্ষের ছাত্রীদের জরুরি ভিত্তিতে কক্ষ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে আকস্মিক এ সিদ্ধান্তে আবাসন ও পড়াশোনা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা। বিশেষ করে শেষ বর্ষ ও গবেষণাকাজে যুক্ত শিক্ষার্থীরা নতুন করে বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বুধবার (২৪ জুন) হলটির ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট ড. ফাহমিদা আখতারের স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আয়েশা সিদ্দিকা হলের ‘সি’ ব্লকের ৩২২, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৪২২, ৪২৩, ৪২৪, ৪২৫ ও ৪২৬ নম্বর কক্ষে অবস্থানরত ছাত্রীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ‘সি’ ব্লক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ওই দিন রাতের মধ্যেই তাদের গেস্টরুম, লন্ড্রিরুম ও ‘ডি’ ব্লকের রিডিং রুমে স্থানান্তর হতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে সব শিক্ষার্থীর সহযোগিতা কামনা করে আরও জানানো হয়, ওই দিন সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টর আয়েশা সিদ্দিকা হলের ‘সি’ ব্লক পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তাদের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই ছাত্রীদের স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: পাঠ্যবইয়ের অনুশীলন অংশ পূরণ করান না শিক্ষকরা, বানান করেও পড়তে পারছে না অনেক শিক্ষার্থী

হলের শিক্ষার্থীরা জানান, ভবনটির বিভিন্ন কক্ষে আগে থেকেই ফাটল ছিল। সম্প্রতি ভূমিকম্পের পর সেসব ফাটল আরও বড় হতে শুরু করে। পাশাপাশি ভবনের দেয়ালের কিছু অংশ দেবে যাওয়ার ঘটনাও লক্ষ্য করা যায়। বিষয়গুলো হল প্রশাসনকে জানানো হলে ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন এবং বিষয়টি উপাচার্যকে অবহিত করেন। পরে উপাচার্য হল পরিদর্শন করে বৃহস্পতিবারের (২৫ জুন) মধ্যে শিক্ষার্থীদের স্থানান্তরের নির্দেশ দেন।

এদিকে আকস্মিক এ নির্দেশনায় অনিশ্চয়তায় পড়েছেন সংশ্লিষ্ট ছাত্রীরা। নিজ কক্ষ ছেড়ে কোথায় অবস্থান করবেন এবং কীভাবে স্বাভাবিকভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যাবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের গেস্টরুম, লন্ড্রিরুম ও রিডিং রুমে অস্থায়ীভাবে থাকার ব্যবস্থা করার কথা জানানো হয়। এখন পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত কক্ষগুলো থেকে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ জন শিক্ষার্থী নিজ কক্ষ ত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হলের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘প্রথমে সাব হল, এরপর এক্সটেনশনসহ অনেক ধাপ অতিক্রম করে মূল হলে একটি আসন পেয়েছি। এখন পড়াশোনার চাপও বেশি। কেউ শেষ বর্ষে, কারও থিসিস চলছে। এ অবস্থায় আবার আগের মতো গণরুমে বা অন্য কোথাও থেকে পড়াশোনা করা সম্ভব নয়। প্রশাসন চাইলে আরও ভালো কোনো সমাধান করতে পারত।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘ফাটলগুলো এক বছরেরও বেশি সময় ধরে তৈরি হয়েছে। আমরা চাই না ঝুঁকির মধ্যে মেয়েরা থাকুক। সমস্যা সমাধানে প্রভোস্টরা কাজ করছেন। আশা করছি শিগগিরই ভালো একটি সমাধান হবে।’

মাজারে দানের কোটি কোটি টাকা যায় কোথায়, কীভাবে খরচ হয় অর্থ?
  • ২৭ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামে সেপটিক ট্যাংকে বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণ গেল চার শ্রম…
  • ২৭ জুন ২০২৬
মাদক সেবনের দায়ে পাঁচজনের কারাদণ্ড
  • ২৭ জুন ২০২৬
নকআউটে সহজ প্রতিপক্ষ পেল আর্জেন্টিনা
  • ২৭ জুন ২০২৬
জর্ডান ম্যাচে দলে বড় পরিবর্তন স্কালোনির, একাদশে নেই মেসি 
  • ২৭ জুন ২০২৬
দেশের কয়েকটি জেলায় টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না আজ
  • ২৭ জুন ২০২৬